জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া র্প্রাথীদের মধ্যে আছেন জাতীয় র্পাটি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চারজন করে নেতা। পাশাপাশি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- বাংলাদেশ জাসদ ও বাংলাদেশ
মাইনরিটি জনতা র্পাটির (বিএমজিপি) একজন করে র্প্রাথীরও একই অবস্থা হয়েছে।
বাংলাদেশ র্নিবাচনী আইনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ র্নিবাচনে কোন র্প্রাথী যদি তার আসনের মোট বৈধ ভোটের অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশ না পান। তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে সেই হিসেব মতে সাতক্ষীরার চার
আসনের ২০ র্প্রাথীর মধ্যে অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পাওয়া র্প্রাথীর সংখ্যা ১১।
সাতক্ষীরা জেলা রির্টানিং র্কমর্কতার র্কাযালয়ের সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা- ১ (তালা কলারোয়া) আসনে
ভোট পড়েছে মোট তিন লাখ ৬৯ হাজার ৯৭।
সাড়ে ১২ শতাংশের হিসাব মতে, ওই আসনে জামানত রক্ষার জন্য ন্যুনতম ৪৬ হাজার ১৩৭ ভোট পাওয়ার
বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে।
সেখানে এই আসনে জাতীয় র্পাটির র্প্রাথী জিয়াউর রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন মাত্র দুই হাজার
৫৪৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের র্প্রাথী শেখ মোঃ রেজাউল করিম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ভোট
পেয়েছেন দুই হাজার ৭১ ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের র্প্রাথী মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম ডাব প্রতীক নিয়ে ভোট
পেয়েছেন ৭১৫।তাদের সবারই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে মোট ভোট পড়ে তিন লাখ ৭৯ হাজার ৮২৩।জামানত রক্ষার ন্যুনতম ৪৮ হাজার ৭২৮ ভোটের বিপরীতে জাতীয় র্পাটির র্প্রাথী মোঃ আশরাফুজ্জামান চার হাজার ২৭৮, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের র্প্রাথী মুফতি রবিউল ইসলাম এক হাজার ৯৭৬ ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের র্প্রাথী মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী পেয়েছেন ৩১৭ ভোট।
একইভাবে ন্যুনতম ভোট না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন সাতক্ষীরা-৩ (কালীগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে জাতীয় র্পাটির
র্প্রাথী মোঃ আলিপ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের র্প্রাথী মো. ওয়েজ কুরনী, বিএমজিপি র্প্রাথী
রুবেল হোসেন।
এবং সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে জাতীয় র্পাটির মো. আব্দুর রশিদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এস এম মোস্তফা আল মামুন।
জেলা র্নিবাচনী র্কমর্কতার র্কাযালয় সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার চার আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম, মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, হাফেজ মুহা: রবিউল বাশার ও মোঃ ইজ্জত
উল্লাহ। জেলার চার আসনে ভোট পড়েছে মোট ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৬।