
রেজওয়ান উল্লাহঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ার জালালাবাদ গ্রামের আব্দুল হামিদ। বয়স ৪৩। দুইটি কিডনি একেবারে বিকল। মরণব্যাধি কিডনি রোগে আক্রান্ত আব্দুল হামিদ বাঁচতে চাই চায়।
কিন্তু চিকিৎসা খরচ চালানোর মতো অবস্থা হামিদের পরিবারের নেই।
৬ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে পাড়ি জমায় মালয়েশিয়ায়। মালয়েশিয়ায় থাকা অবস্থায় ধরা পড়ে দুইটা কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। সেখান থেকে রমজান মাসে বাড়ি ফিরে এসে চিকিৎসা করাতে থাকে সাতক্ষীরা,যশোর,খুলনা,ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায়।খরচ হয়ে গেছে প্রায় ৫ থেকে ৬লাখ মত টাকা। বৃদ্ধ মা-বাবা স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে আব্দুল হামিদের সংসার।ভিটে বাড়িতে চার শতক জমি ছাড়া কোনো সম্পদ নেই হামিদের পরিবারের।আয় রোজগার করার মত হামিদ ছাড়া আর কেউ নেই পরিবারে।বিদেশে থেকে যা টাকা জমিয়েছিল চিকিৎসা করাতে করাতে সব শেষ। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার রাশিদুজ্জামান দুইটা কিডনি অপারেশন করে বদলানোর কথা বলেন সেখানে চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হবে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকার মত।পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ঔষধ সহ প্রতি সপ্তাহে ডায়ালোসিসের জন্য প্রয়োজন হয় সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা। পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন সম্ভব হচ্ছে না।ঠিক মত খাওয়া হচ্ছে না তিন বেলা।এলাকার লোকজনের সহায়তায় অনেকটা মন্থর গতিতে চলছে আব্দুল হামিদের চিকিৎসা ব্যায়।
দেশবাসীকে পাশে চায় আব্দুল হামিদের পরিবার।
আব্দুল হামিদের বৃদ্ধ পিতা শেখ নাজিরউদ্দীন আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে আমাদের স্বামী স্ত্রীর বৃদ্ধ বয়সে বেচে থাকার এক মাত্র সম্বল আমাদের এই সন্তান, মাঠের জমি জায়গা যা ছিল তাই বিক্রি করে একমাত্র ছেলে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস এখন সেই ছেলের দুইটা কিডনিই বিকল আমরা বুড়াবুড়ি খুবই অসুস্থ আমাদেরও নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, আমরা নিজেরাও কি করে চিকিৎসা হব আর ছেলের চিকিৎসা কি করে করাব,এখন ঠিক মতো দুবেলা পেট ভরে খাওয়া পর্যন্ত জোটেনা।ভিটেবাড়িতে ৪শতক জমি ছাড়া আমার আর কিছুই নেই,যা বিক্রি করে আমার সোনা মানিক কে চিকিৎস্যা করাবো।
আব্দুল হামিদকে বাঁচাতে তার ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যের আবেদন করেন তার বৃদ্ধ মা-বাবা ও পরিবার। সাহায্যের জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ ও বিকাশ নাম্বার – ০১৭২৯১৯২৪৩৭ (আব্দুল হামিদ)