শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
কলারোয়ায় আলোচিত’ফোর মার্ডার’ মামলার রায়ের নতুন তারিখ ধার্য
কলারোয়ায় আলোচিত’ফোর মার্ডার’ মামলার রায়ের নতুন তারিখ ধার্য

কলারোয়ায় আলোচিত’ফোর মার্ডার’ মামলার রায়ের নতুন তারিখ ধার্য

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সাতক্ষীরার সিনয়র জেলা দায়রা জজ ছুটিতে থাকায় কলারোয়ার আলোচিত ‘চার হত্যা’মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ১লা সেপ্টেম্বরে ৷ রবিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা দায়রা জজের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন৷তিনি বলেন, আজ চার হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন থাকলেও সাতক্ষীরা জেলা দায়রা জজ বিচারক মো: মফিজুর রহমান ছুটিতে থাকায় রায় ঘোষণা হয়নি৷ তবে পরবর্তী রায়ের দিন দেওয়া হয়েছে আগামী বুধবার পহেলা সেপ্টেম্বরে৷

উল্লেখ্য, চার হত্যা মামলার এ বিবরণে জানা যায়, কলারোয়া উপজেলার ৯নং হেলাতলা ইউনিয়নের খলসি গ্রামের বাসিন্দা মৃত শাহাজাহান আলীর তিন ছেলে। বড় ছেলে শাহীনুর রহমান আট বিঘা জমিতে মাছ চাষ করতেন। মেজ ছেলে আশরাফুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় থাকেন। ছোট ছেলে রায়হানুর রহমান ছিলেন বেকার। তিনি বড় ভাই শাহীনুরের সংসারে খাওয়া দাওয়া করতেন।

গত ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় রায়হানুরের। সংসারে খরচের টাকা দিতে না পারায় তাঁকে মাঝেমধ্যে বকাবকি করতেন ভাই শাহীনুর রহমান (৪০) স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩০)। এর জের ধরে গত বছর ১৪ অক্টোবর মধ্যরাতে রায়হানুর রহমান ওই হত্যাকাণ্ড ঘটান। তিনি ভাই শাহীনুর, ভাবি সাবিনা ও এই দম্পতির ছেলে সিয়াম হোসেন মাহী (১০) ও মেয়ে তাসমিন সুলতানাকে (৮) প্রথমে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ান। ১৫ অক্টোবর ভোর চারটার দিকে ওই চারজনকে হাত ও পা বেঁধে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। তবে ওই পরিবারের চার মাসের শিশু মারিয়াকে হত্যা না করে লাশের পাশে ফেলে রেখে যান৷

এ ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা সন্দেহভাজন হিসেবে রায়হানুর, একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মালেক ও ধানঘোরা গ্রামের আসাদুল সরদারকে গ্রেপ্তার করেন। নিহত শাহিনুর রহমানের শাশুড়ী ময়না খাতুন এ মামলার বাদী হয়৷ গত বছর ২১ অক্টোবর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক রায়হানুর জবানবন্দি দেন। এতে বলেন, তিনি একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। রায়হানুরকে একমাত্র আসামি দেখিয়ে গত বছর ২৪ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। বিচারক এ মামলার ১৮ জন সাক্ষী ও ১ জন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।