
নতুন সূর্য ডেস্ক:
খুলনা নগর যুবলীগের সভাপতি পদে সফিকুর রহমান পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এই দুইজন ব্যাতিত শীর্ষ দুই পদে আর কেউই প্রার্থী হননি। অপরদিকে জেলায় সভাপতি পদে ০৬ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১১ জন জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় উপ দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহাজাদা।
তিনি বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারী খুলনা মহানগর ও জেলা যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্ত চাওয়া হয়। সে লক্ষ্যে বৃহষ্পতিবার পদ প্রত্যাশীরা জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। খুলনা মহানগর যুবলীগে সভাপতি পদে জীবন বৃত্তান্ত দিয়েছেন সফিকুর রহমান পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক পদে জীবন বৃত্তান্ত দিয়েছেন শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন।
খুলনা জেলা যুবলীগে সভাপতি পদে জীবন বৃত্তান্ত দেওয়া ০৬ জন হলেন অজিত বিশ্বাষ, সরদার জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন বাবু, আরাফসত হোসেন পল্টু, চৌধুরী রায়হান ফরীদ, হাদীউজ্জামান হাদী। এছাড়া জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে জীবন বৃত্তান্ত দেওয়া ১১ জন হলেন এবিএম কামরুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ পারভেজ হাওলাদার, মোঃ মুশফিকুর রহমান সাগর, তসলিম হুসাইন তাজ, দেব দুলাল বাড়ই বাপ্পি, মোঃ আবু সাঈদুজ্জামান, মাহফুজুর রহামন সাগর, জলিল তালুকদার, মোঃ কামরুজ্জামান মোল্লা, হারুন উর রশিদ।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার আগামী সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত কেন্দ্রে জমা দেওয়ার শেষ তারীখ ছিল ০৬জানুয়ারী‘২২ বৃহষ্পতিবার। জীবন বৃত্তান্ত প্রার্থীদের স্বশরীরে ঢাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রেীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ পালনে খুলনা মহানগর ও জেলার পদ প্রত্যাশীরা বুধবার থেকেই ঢাকায় যাত্রা করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে তারা জীবন বৃত্তান্ত জমা দেন।
দীর্ঘ ১১ বছর খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটি ভেঙ্গে নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয় ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। সফিকুরর রহমান পলাশকে আহবায়ক ও শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনকে যুগ্ম আহবায়ক করে ২৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সর্বশেষ ২০২১ সালের ০১ এপ্রিল বিশেষ সাধারন সভায় ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারী সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা করা হয়।
অপরদিকে ২০০৩ সালের ২৫ মে জেলা যুবলীগের সর্বশেষ ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে কামরুজ্জামান জামাল সভাপতি ও আক্তারুজ্জামান বাবু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পাঁচ-ছয় মাস পর ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘদিন সম্মেলন বা কাউন্সিল না হওয়ায় জেলা যুবলীগের বর্তমান সাংগঠনিক কর্মকা-ও ছিল অনেকটা স্থবির। ৯টি উপজেলা ও ৬৮টি ইউনিয়ন কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে আগেই।
২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে কামরুজ্জামান জামাল ও আক্তারুজ্জামান বাবু জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ পান। এরপরের সম্মেলনে তারা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন তারা। আক্তারুজ্জামান বাবু বর্তমানে খুলনা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।