
নতুন সূর্য ডেস্ক:
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুলিশের সাথে সহিংসতার ঘটনায় জনশুন্য চার গ্রামের নিরপরাধ মানুষকে ঘরে ফেরার আহবান জানিয়েছে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।
সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে মেরুরচর গ্রামে গিয়ে এ আহবান জানায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জোরপূর্বক ব্যালটে সিল মারার গুজব ছড়িয়ে দেন।
এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হক মিয়া ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমানের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় পুলিশের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে বকশীগঞ্জ থানার দুই পরিদর্শক (ওসি) শফিকুল ইসলাম সম্রাট ও আব্দুর রহিমসহ ১০ পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ চারটি মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ৯২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও ১৭শ’ জনকে আসামি করে বকশীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফ আহাম্মেদ বাদি হয়ে একটি মামলা করলে মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, ফকিরপাড়া ও বাঘাডবা গ্রামের মানুষ গ্রেপ্তার আতঙ্কে গ্রামছাড়া হয়।
গত পাঁচদিন গ্রামের আটটি মসজিদে আজান দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হলেও ভয়ে কেউ জানাজার নামাজেও অংশ নেয়নি।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার বকশীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম মেরুরচর গ্রামে গিয়ে সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে গ্রামে ফেরার অনুরোধ করার পাশাপাশি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করেন।