
এস এম জাকির হোসেন:
কলারোয়া পৌর সদরের ফুটপাত অবৈধ স্ট্যান্ড ও দখলদারদের দখলে। যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ সব স্ট্যান্ড। যেখানে সেখানে ভ্যান, ইজিবাইক, মাহেন্দ্রা, ট্রাক পার্কিং সহ ভ্রাম্যমান দোকানের ছড়াছড়ি। সব মিলিয়ে সর্বত্র এক হ-য-র-ব-ল অবস্থা। পৌর সদরের ব্যস্ততম সড়কসহ অধিকাংশ বাণিজ্যিক এলাকার সিংহভাগ জায়গা দখল করে রেখেছে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা যতসব স্ট্যান্ড ও ফুটপাতের দোকানদাররা।
পৌরসদরের যেখানে সেখানে যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। মোড়ে মোড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্যা অবৈধ স্ট্যান্ড। মানুষের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত ফুটপাত দখল করে ইচ্ছে মতো দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছে চায়ের দোকানদাররা। এই অব্যবস্থাপনা যেন দেখার কেউ নেই। এতে করে বাজারে দেখা দিচ্ছে অসহনীয় যানজট, প্রায়ই দূর্ঘটনার স্বীকার হয়ে আহত এবং নিহত হচ্ছেন পথচারিরা। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলার মানুষ। দেখা যায় কলারোয়ায়, কলারোয়া-সরসকাটি রোডের ব্রীজের মাথায় ১ মিনিটের পথ যেতে সময় লাগে ঘন্টার পর ঘন্টা। এমনকি উপজেলা মোড় থেকে কলাগাছি মোড় যেতে স্বাভাবিক অবস্থায় সময় লাগে ভ্যানে ৫ মিনিট, সেখানে যানজট লাগলে সময় লাগে ১ থেকে ২ ঘন্টা। এই যানজটের কবলে পড়ে শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরী কাজে ব্যাঘাত ঘটছে প্রতিনিয়ত। যানজট নিরসনে নেই তেমন কারো কোন মাথা ব্যাথা। আর উপজেলা মোড় থেকে কলেজ বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত পথচারিদের হেঁটে যেতে হলে ফুট পথ দখলের কারনে বিভিন্ন সময় হতে হয় নানা দূর্ঘটনার শিকার। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়তে হয় মুমূর্ষু রোগীদেরকে। সরেজমিনে দেখা যায় পৌরসদরের ব্রীজের মাথা, গরু হাটখোলার মোড়, শহীদ মিনার মোড়, চৌরাস্তা মোড়, উপজেলার মোড়, সরকারি কলেজ বাস স্ট্যান্ড, বুঝতলা স্ট্যান্ডসহ প্রধান সড়কের ওপর গড়ে উঠেছে বাস, ইজিবাইক, মাহেন্দ্রা, ট্রাক ও ভ্যানের অবৈধ স্ট্যান্ড। এ সকল স্ট্যান্ড গুলোর বেশীর ভাগই অবৈধ। এ সকল অবৈধ স্ট্যান্ড ও অবৈধ দখলদারদের কারনে প্রায় সড়কে ঘটে দূর্ঘটনা। এ সকল অবৈধ স্ট্যান্ড ও অবৈধ দখলদারদের থেকে দখল মুক্ত করার জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় জনসাধারন।
এ বিষয়ে কলারোয়া পৌরসভার মেয়র মাষ্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল জানান, ইতিমধ্যে সকল গাড়ীর মালিক ও চালকদেরকে সতর্ক করার জন্য মাইকিং করে যত্রতত্র গাড়ী না থামানোর জন্য প্রচার করা হয়েছে যদি তারা না মানে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল জরিমানার ব্যবস্থা করা হবে।