
নতুন সূর্য ডেস্কঃ
সাতক্ষীরা কলারোয়ায় মাদকদ্রব্য গাঁজা দিয়ে নিরিহী এক যুবকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন লাল্টু হোসেন গেলেন নামে আরেক যুবক।
ঘটনাটি শনিবার রাত দশটার দিকে পৌরসদরের গোপিনাথপুর মোড়ে হোসেন ফিলিং ষ্টেশনের পাশে “অসিফের মাছের হ্যাচারি” ঘটেছে।
অভিযুক্ত লাল্টু হোসেন (২২) উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ইউনুস আলী গাইনের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গত পহেলা জানুয়ারি উল্লেখিত অসিফের মাছের হ্যাচারি” থেকে মটর ও মাছের খাদ্য চুরি হয়। উক্ত মাছের হ্যাচারির কর্মচারি দেবহাটা উপজেলার গোবারখালী গ্রামের আছাফুর রহমানের ছেলে আবু সুফিয়ান(২২) ও অভিযুক্ত লাল্টু হোসেন দু’জন ঐ হ্যাচারির কর্মচারি। পরিবারের একজনের অসুস্থাতার খবর শুনে হ্যাচরি থেকে চলে যায় আবু সুফিয়ান। তারপর থেকে হ্যাচারির মালিক আসিফ কর্মচারি লাল্টুকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে আবু সুফিয়ানকে খুজে নিয়ে আসার জন্য। সর্বশেষ গতকাল শনিবার রাত ১০ টার দিকে আবু সুফিয়ানের বকেয়া বেতন ৮ হাজার টাকা নেওয়ার জন্য হ্যাচারিতে আসলে পূর্ব শত্রুতার জেরে হ্যাচারির অরেক কর্মচারি লাল্টু রহমান ৫০০০ হাজার টাকার ২০০ গ্রাম গাঁজা কিনে গাঁজা ব্যবসায়ী বলে পুলিশকে গোপনে খবর দেয়।
এ বিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দীন মৃধা একান্ত সাক্ষাতকারে দৈনিক নতুন সূর্যকে বলেন, ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ দেবহাটা উপজেলার গোবারখালী গ্রামের আছাফুর রহমানের ছেলে আবু সুফিয়ান(২২)কে থানার নিয়ে আসার পর তাকে প্রাথমিক জিঞ্জসা শেষে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে। সেই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে চলে যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি লাল্টুকে জিজ্ঞাসা করি তার কথা শুনে সন্দেহ হলে তাকে থানায় নিয়ে আসি।আবারো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি এক পর্যায়ে সে স্বিকার করে বলে হ্যাচারির মটর ও মাছের খাদ্য চুরি হয় গত পহেলা জানুয়ারি তারপর থেকে উধাও সুফিয়ান। সে সময় হ্যাচারির মালিক আসিফ আমাকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে তাকে খুজে আনার জন্য। এখন চুরির দায় পড়ছে আমার উপর। তাই তার উপরে রাগ থেকেই তাকে ফাঁসানো জন্যই আমি ৫০০০ হাজার টাকায় ২০০ গ্রাম গাঁজা কিনি এবং পুলিশকে খবর দেই তাকে ধরে নেওয়ার জন্য।
তিনি আরো বলেন, আবু সুফিয়ানকে ফাঁসানোর জন্য লাল্টু গাঁজা দিয়ে এই মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার দায়ের হয়েছে।