
স্টাফ রিপোর্টারঃ
কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়ন- এর রতনপুর মাঠে চলছে অবাধে পুকুর খনন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ১০/১৫ বিঘার উপরে ফসলের জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করছে রফিকুল ইসলাম মেম্বার নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। একই মাঠে নাটার বিলে জাহাঙ্গীর ও হক এর ঘের কেটে নুরইসলাম নামে এক মাটি ব্যবসায়ী ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করছে।

এই ফসলি জমির উপর দেখা যায় একপাশে ধানের চারা লাগানো আছে। অন্যপাশে কৃষকেরা মনের সুখে পেঁয়াজের চারা লাগাচ্ছেন। এর পাশেই চাষ করা হচ্ছে সারি সারি মুসুরির আবাদ। আর একপাশে দেখা যায় সরিষা লাগানো আছে। কিন্তু দানব ভেকু মেশিনের কাছে এসব ফসল যেন অসহায়, সব ফসল চলে যাচ্ছে ভেকু মেশিনের কোপে পুকুরের গর্ভে। সব মিলিয়ে তিন ফসলি জমি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে পুকুর গর্ভে।
কিছুদিন আগেও জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কিন্তু এই অভিযান পর্যাপ্ত নয় বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা আরো বলেন পুকুর খননে কুচক্রী মহল যেন মরিয়া হয়ে উঠেছে। পুকুর খননের ফলে একদিকে হারাচ্ছে ফসলি জমি, অন্যদিকে পুকুর খননের মাটি রোডের উপর দিয়ে বহন করে বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটায়। এর ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকার মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর বৃষ্টি হলে রোডের উপরে পড়ে থাকা মাটি কর্দমাক্ত হয়ে যায়, এতে প্রায় সময় সড়কে দুঘটনা ঘটে।
সব মিলিয়ে পুকুর খনন করে লাভবান হচ্ছেন পুকুর
খননকারীরা, মাটি ব্যবসায়ী ও ইটভাটার মালিকরা, অন্যদিকে ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে, আর এতে নষ্ট হচ্ছে সরকারী কোটি কোটি টাকার তৈরি করা উন্নত মানের মহাসড়ক।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন। অভিযোগ পেয়েছি খুব দ্রুত এবিষয় আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।