
মোঃ আলামিন ইসলাম,কয়রা(খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনা- ০৬ ( কয়রা- পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, মমতাময়ী নেত্রী শেখ হাসিনার কঠোর পরিশ্রমে ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে অভূতপূর্ব যোগাযোগ ব্যবস্থায় বদলে যাচ্ছে উপকূলীয় অঞ্চল কয়রা পাইকগাছা। জাতীয় সড়ক, মহাসড়কের বাইরেও উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডে পর্যন্ত রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। গ্রামে-গ্রামে পায়ে চলার পথগুলোও আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে। ষাটের দশকের নির্মিত বেঁড়িবাধ গুলো প্রস্তুত হচ্ছে। মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি যেমন হয়েছে, তেমনি চলাচলের সুযোগটাও বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলায় ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর পাশাপাশি বাস্তবায়নাধীন ও পরিকল্পনাধীন কার্যক্রম শেষ হলে দৃশ্যমান হবে যোগাযোগ খাতের বৈপপবিক পরিবর্তন। উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় নবদিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।
সোমবার (২১আগস্ট) সকালে পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মান(২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় গুনাখালী ও নড়া নদীর উপর দুটি প্রস্তাবিত সেতু বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে পরিদর্শন কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, পাইকগাছার লতায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত হতে যাচ্ছে আরো দুটি সেতু। প্রস্তাবিত এ দুটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবে পূরণ হবে পাশাপাশব নির্বাচনী এলাকা পাইকগাছার দুর্গম জনপদ খ্যাত দ্বীপবেষ্টিত লতা ইউনিয়ন যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় চলে আসবে বলে জানিয়ে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দক্ষিণ বঙ্গের আওয়ামী লীগের অভিভাবক শেখ হেলাল উদ্দিন এমপিকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
পরিদর্শনকালে এলজিইডি’র প্রকল্প পরিচালক শেখ মোঃ আবু জাকির সেকেন্দার বলেন, প্রকল্পটি সাম্প্রতিক পাশ হয়েছে। আমরা সম্ভাব্য জায়গা যাচাই বাছাই করেছি। সেতু দুইটির প্রত্যেকটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ কোটি টাকা। আগামীকাল থেকে সেতুর ডিজাইনের কাজ শুরু করা হবে। ডিজাইন শেষ হলেই টেন্ডার হয়ে সেতুর কাজ শুরু হবে। অতি দ্রুতই সকল কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
এরপর এদিন দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও কর্মকর্তারা উপজেলার কপিলমুনির কপোতাক্ষ নদীতে দীর্ঘ ২০বছর পূর্বে শুরু হয়ে বন্ধ হওয়া কপিলমুনি সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, এলজিইডি’র প্রকল্প পরিচালক শেখ মোঃ আবু জাকির সেকেন্দার, এলজিইডি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সেতু ডিজাইন) প্রভাস চন্দ্র বিশ্বাস, এলজিইডি’র নির্বাহী(সেতু ডিজাইন) প্রকৌশলী ভাস্কর কান্তি চৌধুরী,এলজিইডি’র সেতু ডিজাইন ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী তাপস চৌধুরী,এলজিইডি খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম আনিছুজ্জামান, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, উপজেলা প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান খান,সহকারী প্রকৌশলী মোঃ গোলাম সারোয়ার, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, আবু জাফর সিদ্দিকী রাজু,পুলকেশ মন্ডল(ভারপ্রাপ্ত), উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য আজিজুল হাকিম,আকরামুল ইসলাম, মানবেন্দ্র মন্ডল,গৌতম রায় প্রমুখ।