
মোঃ মিল্টন কবীর,কলারোয়াঃ
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নে যুগের পর যুগ পার হলেও এ দিকে তাকানোর যেন কেও নেই। জনপ্রতিনিধি আসে আর যায়। প্রতিশ্রুতি দিয়েও, নেই রাস্তা বাস্তবায়নের কোন দৃশ্য ফলে অবহেলার স্বীকার গ্রাম বাসি। এখানে প্রায় ১৫০ পরিবার বসবাস করে। যার সর্বদিক দিয়ে প্রতিবেশী গ্রাম পাতাখালির উপরে নির্ভরশীল সম্পর্কযুক্ত। প্রাইমারী সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা -হাই স্কুল) স্কুলে যেতে বাধাপ্রাপ্ত হয় সকল ছাত্র-ছাত্রীদের। ফলে শুরু হতেই গ্রামটি শিক্ষা দীক্ষা থেকে যুগ যুগ এখনো পিছিয়ে রয়েছে।আর শিক্ষা ছাড়া একটি জাতি যে কতটা অবহেলিত চন্ডিপুরের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার দিকে তাকালেই বোঝা যায় । অর্থনৈতিক কথা ও অসামাজিক কুসংস্কার থেকে সমাজকে বাঁচাতে প্রয়োজন সুশিক্ষার । কিন্তু আইলার বিধ্বস্ত রাস্তাঘাটের প্রতি দায়িত্বশীলদের সুনজর না দেয়ার ফলে আজ সভ্য সমাজের বাহিরে অবস্থিত গ্রামটি দু একজন উঠে আসছে তারা তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে দুশ্চিন্তায় হতাশ উদ্বিগ্ন। অত্র গ্রামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মহসিন আলম, বললেন বর্তমান অবস্থা থেকে অর্থাৎ নিরক্ষতার কুসংস্কার হতে মুক্তির জন্য গ্রামের প্রতিটি অধিবাসীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা অবশ্যক।
বিশেষভাবে চন্ডিপুর থেকে সামান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় নৈামত্তিক সামগ্রীর জন্য তাদের পাতাখালি বাজারে আসতে হয়। আর ভোগান্তি তখনই হয় যখন সামান্য বৃষ্টি বা নদী ভাঙ্গনে প্লাবিত হলেই গ্রামটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে পাতাখালি থেকে। যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম রাস্তাটি একেবারেই চলাচলের অযোগ্যতে পরিণত হয়।
এবং রাস্তাটি হলে মানুষ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবে তার মধ্যে অন্যতম গ্রামের ছেলেমেয়েরা স্কুলে (মাদ্রাসা- হাই স্কুল) যেতে পারবে এবং তারা অন্য গ্রামের মতো। সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে। গ্রামের বৃদ্ধরা ভালোভাবে রাস্তা দিয়ে চলতে পারবে।
তবে সাতক্ষীরা সুশীল সমাজের ব্যক্তিগন বলেন দ্বীপকুঞ্জ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা ও গাবুরা পাতাখালি এই দুটি ইউনিয়ন অনেক অবহেলিত লাঞ্চিত বঞ্চিত তাদের দিকে নজর দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্ব, তারা অসহায়ত্ব জীবন-যাপন করছে ১৯৭১সালের পর থেকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমরা
এলাকার সুশীল ব্যক্তিবর্গ বলেন আমরাও চাই দ্রুত এই সকল প্রত্যন্ত অঞ্চলের দিকে নজর দেওয়ার জন্য যাতে করে সমাজব্যবস্থা শহরের মত গতি সম্পন্ন হয়। আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি কাজ শুরু করা হোক।