আবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্নাতকোত্তরের পরীক্ষা দিলেও তখন তার ফল প্রকাশ হয়নি। শৈশবেই বাবা-মাকে হারানো মিজান দরিদ্র ও প্রতিকূল পারিবারিক পরিবেশের মধ্যে বেড়ে উঠে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিবাহিত এবং নিজের একটি পরিবার রয়েছে। স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে আর্থিক সংকটে রয়েছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতার কারণে চাকরি পাওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, যোগাযোগ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় টেলিফোন অপারেটর পদে কাজের সুযোগ দেওয়া হলে তা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হবে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা, আর্থিক ও পারিবারিক পরিস্থিতি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা মানবিক ও বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে প্রযোজ্য বিধি-বিধান ও যোগ্যতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তাকে নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।মিজান বলেন, ‘আমি এখন স্ত্রীর আয়ের ওপর নির্ভরশীল। আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। আমার একটি চাকরি খুব প্রয়োজন। আমি কারও করুণা চাই না, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি চাকরি চাই। ’
মিজানের স্ত্রী হাবিবা বেগম বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালে ৮ হাজার টাকা বেতনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করি। প্রায়ই আমি অসুস্থ থাকি। এই আয়ে সংসার চালানো কঠিন। ’