
তাজউদ্দীন আহমদ (রিপন)ঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় কোরবানীর ঈদ ঘিরে প্রায় বার হাজারের বেশী পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কিন্তু এবার করোনার প্রভাব এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সীমিত হওয়ার কারনে লালন-পালন করা গবাদিপশু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কলারোয়ার খামারিরা। প্রতি বছর রোজার ঈদের পরপরই কোরবানির জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা গবাদি পশু ক্রয় করে থাকেন। কিন্তু এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টো। কোরবানির ঈদ এগিয়ে আসলেও করোনার কারনে ব্যবসায়ীরা এখনও খামারিদের সাথে তেমন যোগাযোগ করছেন না। ফলে লোকসানের শঙ্কায় দিন অতিবাহিত করছেন খামারিরা।
কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের খামারি শহিদুল ইসলাম জানান, মুলত কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানের খামারিরা গরু-ছাগল সরবরাহের উদ্দেশ্যে সারা বছর খামারে লাখ টাকা বিনিয়োগ করে পশু পালন করেছেন। কোরবনির এ সময়টাতে খামারে ক্রেতাদের ভিড় থাকে। কিন্তু করোনার কারনে হাটে পশু বিক্রয় নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা। এবার পশু গুলো বিক্রি করতে না পারলে বড় ধরনের লোকসানে পড়তে হতে পারে। তিনি আরও বলেন, আমার খামারে গত রোজার ঈদে যে গরুর দেড় লক্ষ টাকা দর হয়েছিল সেই গরু এবারের কোরবানীতে দর হচ্ছে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা।
তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনলাইনে পশু ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যেটা খামারিদের কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে। যেটার মাধ্যমে খামারিরা অনেক ক্রেতার সাথে যাচাই করে তাদের পশুর ন্যায্য দাম পেতে পারে।
কোরবানীর পশু বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা গত ১২ জুলাই থেকে জেলার সকল উপজেলায় অন লাইনে ক্রয় বিক্রয়ের জন্য ওয়েব সাইট চালু করেছি ক্রেতারা অন লাইনের মাধ্যমে তাদের পছন্দমত পশু সরাসরি হাঁটে না যেয়েও বাড়ীতে বসে ক্রয় করতে পারবেন।