
শেখ মারুফ হোসেনঃ
‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে শ্রদ্ধা ও স্মরন করা ভবিষ্যৎ প্রজম্মের নৈতিক দায়িত্ব, বললেন ডা: দুলাল কৃষ্ণ রায়, যুগ্ম সচিব, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তিনি আরও বলেন, আগামীতে দেশের প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ডিজিটাল সনদপত্র প্রদান করা হবে। তাদের আইডি কার্ডও দেওয়া হবে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সম্বলিত পাকা স্মৃতি স্তম্ভের কাজও করা হবে।
শুক্রবার (৫ নভেম্বর) বিকালে বাগেরহাটের কচুয়ায় শাখারীকাঠী মন্দির প্রাঙ্গনে শাখারীকাঠী গনহত্যা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এর পুর্বে, সকালে শাখারীকাঠী বদ্ধভুমিতে শহীদদের প্রতি ফুলদিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানো হয়।
বাধাল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আলতাপ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জীনাত মহল, কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো: মনিরুল ইসলাম, কচুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো: ইকবাল হেসেন সরদার, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠানিক সম্পাদক মীর ফজলে সাঈদ ডাবলু, সহসভাপতি বাগেরহাট প্রেসক্লাব নকীব সিরাজুল ইসলাম।
বীর মুক্তিযোদ্ধ নিমাই চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় এসময়ে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক কমান্ডার বাগেরহাট সদর বীর মুক্তিযোদ্ধা ঋষিকেশ বাবু, সাবেক কমান্ডার বাগেরহাট সদর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মশিউর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কোতোয়াল বেলায়েত হোসেন, কচুয়া সদর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: ছত্তার তালুকদার, কচুয়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কাজী সাঈদুজ্জামান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম বুলু সহ বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিক ও কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধাগন।