মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ঈসমাইল হোসেন বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ঈসমাইল হোসেন বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ঈসমাইল হোসেন বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন


কলারোয়া প্রতিনিধি:

কলারোয়ায় পৌরসদরের আমানুল্লাহ কলেজ সংলগ্ন কলারোয়া শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডাক্তার ইসমাইল হোসেন ও তার ক্লিনিকে সংঘটিত অনিয়ম ও দূর্ণীতি অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা: হুসাইন সাখাওয়াতের নির্দেশে গত বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটি শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে সরেজমিনে দেখতে পান ক্লিনিকে ১০ বেডের কথা লেখা থাকলে ও বেড ছিল ৩১টি,৩১টি বেডের জন্য চিকিৎসক ছিল নামে মাত্র ০১জন, হসপিটালে নেই কোনও ডিপ্লোমা নার্স, অপারেশনে নেন না কোনও অ্যানেস্থেশীয়া,ক্লিনিকের রিসিপসনিষ্ট কে দিয়ে সার্জারী ও ল্যাবের পরীক্ষার কাজ করানো হয় এই হসপিটালে।
সিভিল সার্জন গঠিত তদন্ত দলে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা:জিয়াউর রহমান,এমওডিসি ডা:মাহদী আল মাসুদ,স্যানিটারী ইন্সপেক্টর শফিকুর রহমান,হেলথ ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম। এছাড়া ও তদন্তদল সাম্প্রতিক কলারোয়া শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে চিতলা গ্রামের হাজিরা খাতুন(১৮)নামে ১৮ বছরের এক কিশোরী মেয়ের পিত্তথলি কেটে ফেলার ঘটনায় চিকিৎসক কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
বতমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় ক্লিনিকে ভর্তি আছেন হাজেরা খাতুন নামের এই কিশোরী ইতোমধ্যে অপ্রয়োজনীয় সার্জারীর কারনে কিশোরীটির অবস্থা দিনে দিনে অবনতি হচ্ছে হাজেরা খাতুনের বড় ভাই খায়রুল বাশার মঙ্গলবার প্রতিবেদককে জানান- আমার বোনের অবস্থ খুবই শোচনীয়, তার পিত্তথলি ডাক্তার ইসমাইল অপ্রোয়জনীয় ভাবে শুধুমাত্র টাকা নেওয়ার নেশায় পিত্ত কেটে আমার বোনের জীবনকে ঝুকির ভেতর ফেলে দিয়েছে। আমার বোনের কাটা জায়গা দিয়ে সর্বক্ষন রক্ত ও পুজ গলিত হচ্ছে, হসপিটাল কতৃপক্ষ ঠিকমতো চিকিৎসা ও ঔষধ না দেওয়ায় সার্জারীর স্থানে ইনফেকশন হয়েছে। আমরা আমার বোনের সুস্থতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই চিন্তিত। আমি ও আমার পরিবার এই ডাক্তার নামের ব্যাবসায়ী ডাক্তার ইসমাইল ও তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্টান শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক.সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার,সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন,কলারোয়া উপজেলা প্রশাসন,কলারোয়া থানা পুলিশ ও কলারোয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে তার বোন হাজেরার যারা ক্ষতি করেছে তাদের বিচার দাবী করেছে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।