
মোঃ মনিরুল ইসলাম, ডুমুরিয়া,(খুলনা):
খুলনা জেলা ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় সীমানা প্রাচীর নেই।
তাছাড়া ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসারের বাসভবনে সীমানা প্রাচীর ঘেষে পরিচিত অপরিচিত মানুষেরা চলাফেরা করে। যার কারনে ঝুঁকিতে রয়েছে উপজেলা পরিষদের প্রথম শ্রেণীর অনেক কর্মাকর্তারা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আরাজি সাজিয়াড়া ও ডুমুরিয়া মৌজার বিভিন্ন দাগ খতিয়ানে উপজেলা পরিষদ ও নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে মোট ১৪ দশমিক ৩৪ একর জমি রয়েছে। পূর্ব – পশ্চিম দৈর্ঘ্য ও উত্তর দহ্মিণ প্রস্থ সীমানা মধ্য স্বাস্থ্য ও প্রাণী সম্পদ দপ্তর ব্যতীত সকল দপ্তরের অফিস, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসারের বাসভবন সহ কর্মাকর্তা কর্মচারী দের জন্য ৪ টি করে ফ্লাট সম্বলিত ৬টি স্টাফ কোয়ার্টার , ২০ জন বসবাসের উপযোগী একটি ডরমিটরি, কর্মজীবী নারীদের জন্য একটি হোস্টেল রয়েছে।
উপজেলা স্টাফ কোয়ার্টার বসবাসরত কর্মাকর্তা কর্মচারীদের বাসা থেকে বিভিন্ন পণ্য, টাকা পয়সা ও গাড়ি চুরির ঘটনা অহরহ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মাকর্তার কার্যালয়ে পশ্চিম পাশ ঘেষে উত্তর দিকে সাধারন মানুষের চলাচলের রাস্তা, বাসভবনের প্রধান ফটকের পশ্চিম পাশে ১০ গজের ভিতর এক জামায়াত নেতা, বিএনপি জোটের অপর এক নেতার বাসভবন। এছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসারের বাসভবনের পূর্ব পাশ দিয়ে কমিউনিস্ট পার্টি এক নেতার বাসভবনে প্রবেশের গেট রয়েছে। তাছাড়া স্টাফ কোয়ার্টার বাসভবনের পিছনে খাল বিল রয়েছে যেখানে গভীর রাতে মানুষ চলাফেরা করে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস ও বাসভবনে তিন জন নৈশ প্রহরী থাকলে ও তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন কর্মাকর্তারা।
স্টাফ কোয়ার্টারে বসবসরত উপজেলা কৃষি কর্মাকর্তা মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন,উপজেলা পরিষদের নিরাপত্তা স্বার্থে উপজেলা পরিষদের চারিদিকে সীমানা নির্মাণ করা জরুরী। তাছাড়া পরিষদের প্রবেশের সকল গেট গুলো এবং স্টাফ কোয়ার্টার প্রবেশ পথ দুই স্তর বিশিষ্ট স্বশস্ত্র নিরাপত্তা ব্যবস্হা করা প্রয়োজন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ বেগম বলেন,উপজেলা পরিষদের বৃহৎ এলকা জুড়ে সীমানা প্রাচীর নেই। অফিস সময়ের আগে পরে পরিষদের ভিতর দিয়ে দীর্ঘকাল যাবৎ অবাধে সাধারন মানুষের চলাচলের রাস্তা থাকায় একটু নিরাপত্তা ঝুকি তো রয়েছে।তাছাড়া পরিষদের সরকারি” নিজস্ব জমি অনেক বেদখল হয়ে আছে। সেগুলো চিহ্নিত করে সীমানা প্রাচীর ও শক্তিশালী গেট নির্মাণ করার প্রক্রিয়া চলছে।ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন কে অবহিত করা হয়েছে। যদিও নিরাপত্তা স্বার্থে সরকার ইতোমধ্যে ৪ জন আনসার ব্যাটেলিয়ন নিযুক্ত করেছেন।