
জাকির হোসেন :
গত কয়েক মাস ধরে ব্যবসায়ীরা আশ্বাস দিয়ে আসছিলেন, বাজারে শীতের সবজি আসলেই দাম কমে যাবে। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম কমেনি। সপ্তাহের হাঁটে এক কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। আর হাইব্রিড জাতীয় শষা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি।
গতকাল কলারোয়ার বিভিন্ন কাঁচা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রতি কেজি গাঁজর ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, শিম মান ভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, ফুলকফি ৪০ টাকা, বাঁধা কফি ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মেটে আলু ৫০ টাকা, কঁচু ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০ টাকা ও প্রতি পিচ লাউ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা তবে রসুনের দাম তুলনামূলক অনেক কম। কলারোয়া কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা ঈমান আলী বলেন, বছর জুড়ে বরবটি চাষ হলেও শীতের সময় কিছুটা কম উৎপাদন হওয়ায় এবং শীতের সময় এর চাহিদা থাকায় বাজারে বরবটির দাম তুলনামূলক একটু বেশী। অন্যদিকে শীতেও সবজির দাম তেমন একটা কমেনি জানিয়ে কলারোয়া কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা রইচ বলেন, শীত আসার আগে সবজির দাম খুবই বেশী ছিল। আগের তুলনায় দাম এখন কিছুটা কমেছে। তবে অন্য বছরের মত খুব একটা কমেনি। এর কারন উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় অনেক বেশী হচ্ছে। আমরা সবজি কিনতে গেলে বেশী দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে ক্রেতার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত দাম একটু বেশী পড়ে যাচ্ছে। একই বাজারে বাজার করতে আসা বে-সরকারি চাকুরিজীবি জাহাঙ্গীর আলম জনি বলেন, অন্যান্য বার শীতে সবজির দাম অনেক কম থাকতো। এবার শীতে সবজির দাম সেভাবে কমেনি। সব সবজিই বাজারে বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামের কথা না হয় বা বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামের কথা না হয় বাদই দিলাম। আগে বাজারে আসলে যে সমস্ত এক কেজি করে কিনতাম, এখন দাম শুনে আঁধা কেজি করে কিনি।