
জাকির হোসেন :
প্রতিদিন উপজেলায় রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী সনাক্ত হচ্ছে। তবে অনেকে নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না। তারা বাড়ী বসে ঘরোয়া চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে করোনার প্রকৃত চিত্র উটে আসছে না। এদিকে কলারোয়া উপজেলা জুড়ে জ¦র, সর্দি, কাশির প্রকোপ বেড়েছে। চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এত ব্যাপক হারে সর্দি-জ¦রের পেছনে করোনার নতুন প্রজাতি অমিক্রনের প্রভাব রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সারা উপজেলার প্রায় প্রত্যেক ঘরই যেন জ¦র-জারিতে হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। বিশেজ্ঞররা বলছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত যে করোনা সংক্রান্তের যে সংখ্যা জানাচ্ছে বাস্তব পরিস্থিতি তার চেয়েও বেশী ভয়ংকর। করোনা পরীক্ষার অনাগ্রহ এবং সংক্রমণ এড়াতে দূর্বল ব্যবস্থাপনা এ ক্ষেত্রে দায়ী।
কলারোয়ার অসংখ্য পরিবার আছে যে কোনো কোনো বাড়ীতে একাধিক সদস্য জ¦র-সর্দিতে আক্রান্ত। তাদের ঘর যেন এক মিনি হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে জ¦র সর্দির আক্রান্তের সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। যারা করোনা পরীক্ষা অনেক ঝামেলা মনে করে, তারা করোনা পরীক্ষাও করাচ্ছেন না। তারা এগুলো সাধারন সর্দি- জ¦র হিসেবে নেওয়ায় তাদের দ্বারা আক্রান্তের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। কলারোয়া উপজেলার একমাত্র সরকারী হাসপাতালে জ¦র-সর্দিসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এ বিষয়ে কলারোয়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: শফিকুল ইসলাম জানান, নতুন বছরের শুরুতে হাসপাতালে করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে এবং প্রতিদিন হাসপাতালে পরীক্ষা অনুযায়ী সনাক্তের হারও তুলনামূলক অনেক বেশী। এখনি যদি আমরা স্বাস্থ্য সচেতন না হয় তাহলে করোনার নতুন ধরণ অমিক্রন মহামারী আকার ধারন করতে পারে।