
বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
শুক্রবার জুমার দিন, তখন মহল্লার সবাই মসজিদে। সেই সুযোগে এলাকার নারী মাদক ব্যবসায়ী আকতারা বেগমের বাড়িতে বসেছে গাঁজার আসর। প্রতিবেশী রুবেল তার পূর্ব পরিচিত দুই বন্ধুসহ আসেন মাদক ব্যবসায়ী আকতারা’র বাড়িতে। তখন রুবেল তিনজনের জন্য গাঁজা কিনেন। যখনই তারা গাঁজা সেবনের প্রস্তুতি নেন, ঠিক তখনই সেখানে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার ও থানা পুলিশ। পরে তাদের আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর শহরের শিমুলতলী মহল্লায়। শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ২ টায় সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদক বিক্রেতা ও তিন মাদকসেবীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশ দেন।
কারাদন্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলেন, পৌর শহরের শিমুলতলী মহল্লার এন্তাজুল ইসলামের স্ত্রী আকতারা বেগম (৩৫) একই মহল্লার নিয়ামত আলীর ছেলে রুবেল হোসেন (৩৮) ও জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার ভাতকোটা গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছেলে ফারুক হোসেন (৪২) একই গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৭)।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার জানান, ‘বিরামপুর পৌর শহরের শিমুলতলী মহল্লার একটি বাড়িতে গোপনে মাদক বিক্রি হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ সেখানে মাদক বিরোধী অভিযান চালান। এ সময় নারী মাদকব্যবসায়ী আকতারা বেগমকে গাঁজা বিক্রি ও তিনজন মাদকসেবীকে মাদক কেনার সময় হাতে-নাতে আটক করা হয়। পরে, সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটককৃত ফারুক হোসেন ও রফিকুল ইসলামকে এক মাসের এবং আকতারা বেগম ও রুবেল হোসেনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়।’
থানার উপ-পরিদর্শক হরিদাস বর্মণ জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন আসামীকে শুক্রবার বিকালে দিনাজপুর জেলখানায় পাঠানো হয়েছে।