ধরাছোয়ার বাইরে বিএনপি নেতা নুর ইসলাম মেম্বর

মো: ইমরান শেখ, চুকনগর ( খুলনা) :
জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বরূনা গ্রামে গৃহবধূ ও আরাজি ডুমুরিয়া গ্রামে জুটমিল শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় আর কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ। পৃথক দুই ধর্ষনের ঘটনায় ৮ ধর্ষকের মধ্যে মাত্র তিন ধর্ষক গ্রেফতার হয়েছে। অন্যরা রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে।
ধামালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যগ্ম আহবায়ক নুর ইসলাম সরদারকে রক্ষা করতে মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন উপজেলা বিএনপির এক নেতা। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ধর্ষক মাহবুর রহমান মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
গত রোববার ( ৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ফুলতলার ডাউকোনা গ্রামের জনৈক গৃহবধূ স্বামীর বাড়ি থেকে দেবরকে সাথে নিয়ে রুদাঘরা গ্রামে পিতার বাড়ি যাওয়ার সময়ে বরূনা গ্রামে গণধর্ষনের শিকার হন। মারপিট করে বরূনা বাজারের নৈশ প্রহরীদের জিম্মায় তুলে দেয়া দেবর বাচ্চু সরদারকে। কেড়ে নেয়া হয় মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা। এ মামলায় আসামীরা হচ্ছে, মাহবুর মোল্লা, মেম্বও নুর ইসলাম সরদার, উজ্জ্বল শেখ ও মুশফিকুর রহমান। এরপরদিন আরাজী ডুমুরিয়ায় জুট মিল শ্রমিক গণধর্ষণের মামলার পলাতক দুই ধর্ষক হচ্ছে সবুজ মোড়ল ও সোহাগ মোড়ল। গ্রেফতার হয়েছে রেজাউল মোড়ল ও আ: রব মোড়ল।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রঘুনাথপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তা মো: এমদাদ হোসেন জানান বরূনা গ্রামে ফুলতলার গৃহবধূ গণধর্ষনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত মাহবুর রহমান মোল্লাকে ৫দিনের রিমান্ড চেয়ে শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। রোববার বিজ্ঞ আদালত ১দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। কাগজপত্র হাতে পেলে তাকে ক্যাম্পে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তিনি জানান ধর্ষনের শিকার ওই গৃহবধূকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরাজি ডুমুরিয়ায় বেড়াতে যাওয়া জুট মিল শ্রমিক গণধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের দ্রুত গেফতার ও বিচার দাবিতে গত শনিবার নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে মানব বন্ধন করেছে কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠণ।