বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
হাইওয়েতে ট্রাকের ভুলে দুর্ঘটনার কবলে যবিপ্রবির শিক্ষা সফরের বাস
হাইওয়েতে ট্রাকের ভুলে দুর্ঘটনার কবলে যবিপ্রবির শিক্ষা সফরের বাস

হাইওয়েতে ট্রাকের ভুলে দুর্ঘটনার কবলে যবিপ্রবির শিক্ষা সফরের বাস

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের (ইএসটি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাসফরের বাস সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার পাঁচচর ইউনিয়নের ঢাকা-মাদারীপুর হাইওয়েতে বাসটি সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়। দুর্ঘটনার পর ৯৯৯ কল করলে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে বাসের দরজা কেটে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে। দুর্ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকলেও বাসের ড্রাইভার ও হেল্পার আহত হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৮ জুলাই যবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বায়োডাইভার্সিটি কোর্সের ফিল্ড ট্রিপে সিলেটের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনে যায়। তাদের দায়িত্বে ছিলেন ইএসটি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে.এম দেলোয়ার হোসেন ও প্রভাষক ফারিহা।

ফিল্ড ট্রিপ শেষে আজ বৃহস্পতিবার সিলেট থেকে আসার সময় পদ্মা সেতু পার হয়ে শিবচর উপজেলার পাঁচচর ইউনিয়নের ঢাকা-মাদারীপুর হাইওয়েতে হঠাৎ ব্রেক করায় চলন্ত ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দেয় শিক্ষার্থীদের বাসটি। এতে করে দুমড়ে-মুচড়ে যায় বাসের সামনের অংশ। দুর্ঘটনায় বাসের ড্রাইভার, হেল্পার আহত হলেও বাসে থাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সকলে সুস্থ আছেন।

ইএসটি বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ উসামা বলেন, সিলেট থেকে আসার সময় পদ্মা সেতু পার হয়ে আমরা দুর্ঘটনার শিকার হই। দুর্ঘটনাটি ভোরবেলা ঘটে, তখন আমরা সবাই বাসে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করেই বিকট শব্দ ও ঝাঁকি দিয়ে বাসটি থেমে যায়।তারপরে দেখি আমাদের বাস সামনে থাকা ট্রাকের সাথে ধাক্কা দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন,ট্রাকের সাথে সংঘর্ষের কারনে আমাদের বাসের সামনের অংশ ভেঙ্গে দরজা আটকে যায়। পরে আমরা ৯৯৯ ফোন করলে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে বাসের দরজা কেটে আমাদের উদ্ধার করে। পরে কালনাঘাট থেকে আমরা আরেকটি বাসে করে যশোর আসি।

এই বিষয়ে দায়িত্বরত শিক্ষক ও ইএসটি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে এম দেলোয়ার হোসেন বলেন , সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত যে আমরা সবাই সুস্থভাবে ফেরত আসতে পেরেছি। দুর্ঘটনায় কোন শিক্ষার্থী আহত হয়নি। মূলত ট্রাক চালকের বেপরোয়া গতির জন্য দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে পদ্মা সেতুর এই রাস্তার গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর মনিটরিং করা। প্রায়ই বেপরোয়া গতির জন্য এখন প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটছে।

অন্য শিক্ষকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন ,ফারহানার বাসা ঢাকা হওয়ায় তিনি সেখানে নেমে গিয়েছেন দুর্ঘটনা সময় তিনি বাসে উপস্থিত ছিলেন না।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।