
মোস্তফা হোসেন বাবলু,স্টাফ রিপোর্টারঃ
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রবিবার মহালয়ের মধ্যে দিয়ে মর্তলোকে মায়ের বাড়িতে হাতির পিঠে চড়ে দূর্গা দেবীর পৃথিবীতে আগমন ঘটবে এবং চলে যাবেন নৌকা চড়ে।
তাই কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডবে চলছে সাজ সাজ রব।সনাতন ধর্মবিশ্বাসীদের সবচেয় বড় ধর্শীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা।শুধু হিন্দু সম্প্রদায় নয় দেশের অন্য ধর্মের মানুষ এ উৎসবে যোগ হন নানাভাবে।
আগামী ১ লা অক্টোবর ৬ষ্টী তিথিতে দেবীদূর্গার বোধন ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ৫ দিনব্যাপি দূর্গোৎসব। আর মাত্র কয়টা দিন বাকী তাই সারা দেশের ন্যায় কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ,মন্দির এবং প্রতিমালয় গুলোতে চলছে দেবী প্রতিমা গড়ার তোলার রং তুলির আঁচড়ের ধুম।অনেক আগেই উপজেলার ৪৫ টি স্থানে দেবীর মূল অবয়ব গড়ে তোলা হয়েছে। এখন শেষ পর্যায়ে চলছে রং তুলির কাজ। মাটির প্রলেপ শেষে তাই মাতৃ রুপকে আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে ফুটিয়ে তুলতে সবচেয়ে বেশি কষ্টকরতে হয় প্রতিমা শিল্পী বা ভাস্করকে।কেননা পরম শ্রদ্ধা ,আগ্রহ আর ভক্তিতে হাতের পরম আর তুলির আঁচড়ে মাটির মূর্ত হয়ে উঠেন দেবী।তাই এখন বলা চলে গুরু দ্বায়িতের কারনে দম ফেলার ফুরাত নাই প্রতিমা কারিগরদের।
গতকাল সকালে কলারোয়ার দেয়াড়া সাতক্ষীরা যাদব ঘোষ ডেয়ারীর মানসী সার্বজনীন পূজা মন্ডপ সহ পৌর সভার ৮ টি পূজা মন্ডপে ঘুরে দেখা গেছে প্রতিমা নিমার্নে ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎশিল্পরা। সরজমিনে উপজেলার দেয়াড়া ঘোষপাড়া যাদব ঘোষ ডেয়ারীর মানসী দূর্গাপুজা মন্ডপে দেখা যায় এই বঙ্গের শ্রেষ্ঠ প্রতিমা শিল্পী চন্দন কুমার মন্ডল তার নরম হাতের রং তুলির আঁচড়ে মাটির মৃর্তকে পূর্ণ দেবীতে রুপান্তর করেছে।
এ বছর কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মোট ৪৫টি স্থানে দূর্গোৎসব উৎযাপিত হবে।এর মধ্যে ৮টিতে কোন ঝুকি নেই।আর ১৫টি পূজা মন্ডপে গুরুত্ব সহকারে পালন করা হবে। ২০টি পূজা মন্ডপে অধিক গুরুত্ব সাথে পালন করা হবে জানা যায়।তবে সব চেয়ে গুরত্ব দিয়ে পালন করা হবে দেয়াড়া ঘোসপাড়া সমীরনে বাড়ী মানসী দূর্গাপূজা। এবছর পৌর সভাসহ৪৫ টি পূজামন্ডপের মধ্যে দেয়াড়া ঘোষপাড়া মানসী দূর্গা পূজা মন্ডপে শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার বলে জানান দূর্গাপূজা মন্ডপ সভাপতি