
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
খুলনার পাইকগাছায় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার মামুন দম্পতিসহ তার ভাড়া করা গুন্ডা বাহিনীর বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা চেষ্টা, মারপিট, চুরি, টাকা ছিনতাই ও ভয়-ভীতি দেখানোর অভিযোগে ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক সেকান্দার আলী।
থানা মামলা না নেওয়ায় মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী) পাইকগাছা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তিনি। মামলা সুত্রে জানা যায়,গত ১৯ জানুয়ারি উপজেলার আগড়ঘাটা উপ-স্বাস্হ্য কেন্দ্রের ডা: মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন অনুপস্থিত থাকায় সেখানকার আয়া ডাক্তারের চেয়ারে বসে রুগি দেখেন ও ঔষধ দিতে থাকেন। খবর পেয়ে সাংবাদিক আব্দুল মজিদ বিষয়টি উপজেলা হাসপাতালের প্রধান ডাঃ নিতীশ গোলদারকে অবগত করেন। তিনি ঘটনার ছবি তুলে তাকে দিতে বলেন। তাৎক্ষনিক আব্দুল মজিদ ঘটনার ছবি তুলে হাসপাতালের প্রধান নিতীশ গোলদারকে পাঠান।
এ খবর জানাজানি হলে ডা: মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন,তার স্ত্রী ও সঙ্গীয়রা সাংবাদিক মজিদের উপর ক্ষিপ্ত হন। পরদিন ডাক্তার দম্পতি মজিদকে পেয়ে মারপিট করে ও ভয়-ভীতি দেখান। আব্দুল মজিদ বিষয়টি বাদিসহ অপর অপর সহকর্মীদের অবগত করেন। সর্বশেষ ২১জানুয়ারি বাদী সাংবাদিক সেকেন্দার আলীসহ অপর অপর সাংবাদিকরা ডা: মামুনের কাছে ঘটনার বিষয় জানতে ঘটনাস্থলে গেলে মামলার আসামীরা সাংবাদিকদের মারপিট, হত্যা চেষ্টা, ভিডিও ক্যামেরা ভাঙচুর, ছিনতাই, মোবাইল ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটান। পরে আহত সাংবাদিক মজিদ পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
থানা পুলিশ এজহার নিতে অস্বীকার করায় ২৪ জানুয়ারি বাদি পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। (যার নং সি আর ১১৭/২৩)।বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই খুলনাকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় পাইকগাছায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করেন ঘটনাটি মুক্ত সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে খড়গহস্ত। তাই সরকারের কাছে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।