
কলারোয়(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি:
গতকাল শনিবার কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে দুপুর ১২ টার সময় এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মামলার আসামী আজগার শেখের বৃদ্ধ পিতা মির্জাপুর গ্রামের মৃত: শেখ ফজর আলীর ছেলে শেখ আমজাদ হোসেন(৮৬)।
তিনি তাঁর লিখিত বক্তব্যে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলে একজন নার্সারি ব্যবসায়ী। মুরারী কাঠি বটতলা মসজিদের কাছে তাঁর নার্সারির দোকান। গত ১১ অক্টোবর সকালে তিন দিনের তাবলিগ জামায়াত শেষ করে বাড়ীতে আসে। এরপর বাড়ী থেকে নার্সারির দোকানে যেয়ে দেখে তার অনেকগুলো দামী দামী চারা সেখান থেকে চুরি হয়ে গেছে। এর কয় দিন পর বাড়ী থেকে নার্সারির দোকানে যাওয়ার পথে দেখে ঐ বাচ্চাটা(ভিকটিম) দুইটা স্ট্রাবেরী চারা নিয়ে বাড়ীর দিকে যাচ্ছে। তখন আমার ছেলে আজগর রাগ বশ:ত বাচ্চাটাকে দুইটা থাপ্পড় মারে। বাচ্চাটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ী যেয়ে তার মাকে বললে তার মা এসে আমার ছেলেকে শাসিয়ে বলে যায় সন্ধ্যার মধ্যে তোকে মজা দেখায় দেবো। ঐ দিন বুধবার ১৪ অক্টোবর আসরের সময় কলারোয়া থানা পুলিশ আমার ছেলেকে শিশু নির্যাতন ও যৌন নিপিড়ন মামলায় আমার ছেলেকে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে প্রেরন করেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন আমার ছেলে একজন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী মানুষ যেটা স্থানীয় সকলের কাছে তার চরিত্রের ব্যাপারে শুনলে আপনারা প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবেন। তিনি মাননীয় এস.পি মহাদয়ের কাছে এই ঘটনার সুষ্ট তদন্ত দাবী করে তার নিরাপরাধ ছেলেকে অনতিবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আজগার আলীর বৃদ্ধা মাতা মুসলিমা খাতুন, স্ত্রী সেলিনা খাতুন, পুত্র গোলাম রাব্বী ও রাসেল। অভিযোগের বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই শারমিন সুলতানা শিখার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত চলছে। সত্য উৎঘাটন পূর্বক রিপোর্ট আদালতে প্রেরন করা হবে।
ছবি আছে,,,,,,,