
বিএম আলামিন ইসলাম,কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি :
কয়রায় জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) উপজেলার ২নং কয়রা গ্রামের সুশান্ত বর্মন কয়রা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্য সুশান্ত বর্মন বলেন,উপজেলার কয়রা মৌজার এস এ ৮১৭ খতিয়ানের ৯৮২ দাগের ১০ বিঘা জমি পূর্ব পুরুষ হতে প্রাপ্ত হয়ে ভোগ দখলে আছি। ছাত্রজনাতার গণঅভ্যুথানের পর ২নং কয়রা গ্রামের মৃত আঃ হক শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর কবির টুলু, শাহারিয়া কবির টুটুল আমার বাড়ী ভাংচুর লুটতরাজ বাড়ী দখল সহ মোট ৬ বিঘা জমি জোর পূর্বক দখল করে নিয়েছে।বর্তমানে ওই জমিতে তারা মাছের ঘের করার জন্য প্রস্তুত করিয়াছে। এই জমির উপর মহামান্য হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা শর্তেও শেখ জাহাঙ্গীর কবির টুলু ও শাহারিয়া কবির টুটুল জমি দখল করিয়া নেয়। গত ৮ জানুয়ারী তারা অন্যায় ভাবে আমাদের সম্পত্তির উপর রাস্তা নির্মান করতে গেলে বাধা প্রদান করি।এসময় আমার ও আমার স্ত্রীকে বেধড়ক মারপিট করে। এ সময় তারা আমাদেরকে দেশ ত্যাগ করে ভারতে যাওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়ে কয়রা থানা ও যৌথ বাহিনীর কাছে অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার মেলেনি। শেখ জাহাঙ্গীর কবির টুলু পুলিশের তালিকা ভুক্ত একজন সন্ত্রাসী। ২০১৩ সালের জুন মাসে পাশ্ববর্তী উপজেলা শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের চিংড়ী ঘের দখল করতে গেলে অস্ত্র সহ পুলিশের হাতে আটক হন। তারপর থেকে সাংবাদিক পরিচয়ে শেখ জাহাঙ্গীর কবির টুলু তার অপরাদ সাম্রাজ্য চালিয়ে জান। গত ৫ আগষ্টের পর থেকে সে পুনরায় জমি দখল, সন্ত্রসী কার্যক্রমে লিপ্ত হয়েছেন।এ বিষয়ে আপনাদের মাধ্যামে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ জাহাঙ্গীর কবির টুলু বলেন,আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা।সুশান্ত বর্মনের ঠাকুরদার কাছ থেকে আমাদের জমি কেনা। ক্রয় মূলে আমরা জমি ভোগ দখল করে থাকি।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারা আমাদের জমিটি দখল করে নেয়।গত ৫ আগস্টের পর আমরা আমাদের জমিটি উদ্ধার করে নিয়েছি। সুশান্ত বর্মন আমাকে সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।