
তাজউদ্দীন আহমদ রিপনঃ
চলতি বছর মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ায় দুঃশ্চিন্তার অন্ত ছিলনা অদম্য মেধাবী ছাত্রী নাদিরা খাতুনের দরিদ্র পিতা মোঃ আবু বক্কারের। মেয়ের স্বপ্ন পূরণের পথে একমাত্র অন্তরায় অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিনাতিপাত করা পরিবারটির স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে এসেছেন শিক্ষানুরাগী দুদক কর্মকর্তা ড. খান মীজানুল ইসলাম সেলিম।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারী) বিকালে কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার হলরুমে মসজিদ মিশনের আয়োজনে ইমাম-মুয়াজ্জিন সম্মেলনে খান রেজাউল ইসলাম এন্ড সন্স ট্রাস্ট এর পক্ষ থেকে দুদক পরিচালক ড. খান মীজানুল ইসলাম সেলিম প্রেরিত (নগদ বিশ হাজার টাকা) আর্থিক অনুদান নাদিরা খাতুনের হাতে তুলে দেন তাঁর সহোদর খান সাফায়েতুল ইসলাম সোহাগ। এসময় নাদিরার পিতা আবু বক্কর উপস্থিত ছিলেন।
কলারোয়া উপজেলার বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা কলেজের মেধাবী ছাত্রী নাদিরা খাতুন চলতি বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে চান্স পায় নাদিরা।কিন্তু অর্থাভাবে তার মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে তা শিক্ষানুরাগী দুদক কর্মকর্তা ড. খান মীজানুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হয়। প্রয়াত সমাজসেবক পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের পক্ষ থেকে নাদিরার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এলেন তিনি। মেডিকেলে ভর্তি ছাড়াও নাদিরার পড়ালেখার জন্য প্রতিমাসে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়া ট্রাস্টের পক্ষ থেকে।
এক প্রতিক্রিয়ায় নাদিরা খাতুন ও তার পিতা দুদক কর্মকর্তা ড. খান মীজানুল ইসলাম সেলিমের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।