বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
হাতে স্যালাইন নিয়েও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন কলারোয়া হাসপাতালের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পিয়াস কুমার দাস
হাতে স্যালাইন নিয়েও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন কলারোয়া হাসপাতালের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পিয়াস কুমার দাস

হাতে স্যালাইন নিয়েও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন কলারোয়া হাসপাতালের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পিয়াস কুমার দাস

জাহাঙ্গীর হোসেন:

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মানবসেবায় দায়িত্ববোধ আর পেশাদারিত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট “পিয়াস কুমার দাস”।

নিজেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, হাতে স্যালাইন সংযুক্ত — তবুও থেমে থাকেননি রোগীদের সেবায়। শারীরিক দুর্বলতা সত্ত্বেও তিনি সেবা দিচ্ছেন হাসপাতালে আসা রোগীদের, যা দেখে অভিভূত এলাকাবাসী ও সহকর্মীরা।

পিয়াস কুমার দাস বর্তমানে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স–এ কর্মরত রয়েছেন। গত কিছুদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছিলেন তিনি। সাধারণত এই অবস্থায় বিশ্রাম নেয়া স্বাভাবিক হলেও, পেশাগত দায়িত্ববোধের কারণে তিনি হাসপাতালেই থেকে রোগীদের সেবা দিতে থাকেন।

হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগীই অবাক হয়ে যান তাঁকে এভাবে কাজ করতে দেখে।

একজন রোগী বলেন, “উনি নিজেই অসুস্থ, কিন্তু আমাদের সেবা দিতে কোনো দ্বিধা করছেন না। এমন সেবা মন থেকে আসে, জোর করে নয়। উনি আমাদের এলাকার গর্ব।”

তাঁর এমন মানবিক দৃষ্টান্ত ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই তাঁর ছবি শেয়ার করে লিখছেন, “এমন মানুষরাই প্রকৃত অর্থে সমাজের নায়ক।”

হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা বলেন, “পিয়াস অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও আন্তরিক। তাঁর মতো স্বাস্থ্যকর্মী আমাদের দলে থাকা সত্যিই সৌভাগ্যের।বর্তমান সময়ে যখন অনেকেই দায়িত্ব এড়িয়ে চলতে চান, সেখানে পিয়াস কুমার দাস-এর এই উদাহরণ আমাদের মনে করিয়ে দেয় — পেশাদারিত্ব শুধু একটা চাকরি নয়, এটা একটি অঙ্গীকার। আর সেই অঙ্গীকারই তাঁকে রোগীর পাশে দাঁড়াতে বাধ্য করেছে, অসুস্থ শরীর নিয়েও।

এ ধরনের ঘটনা শুধু অনুপ্রেরণাই দেয় না, বরং সমাজে স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। পিয়াস কুমার দাস-এর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে এলাকাবাসী এবং সহকর্মীরা

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।