
নিউজ ডেস্ক:
আইনজীবী শেখ রফিকুজ্জামান জানান, সকালে আদালতের আদেশের অনুলিপি তুলে জামিনের আবেদন করলে আদালত বিশেষ বিবেচনায় এবং বিনা জামানতে তাদের জামিন দেন।
এর আগে রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) আদালতে হাজির করা হলেও আইনজীবী না থাকায় শাহাজাদীর জামিন শুনানি হয়নি। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর রূপসার একটি ক্লিনিকে শাহাজাদীর কোলজুড়ে জন্ম নেয় পঞ্চম সন্তান-এক কন্যাশিশু। এর আগে তার আরো চার কন্যাসন্তান জন্মেছিল। অন্তত এবার ছেলে হবে, এমন প্রত্যাশা করেছিলেন স্বামী সিরাজুল ইসলাম ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। কিন্তু মেয়ে জন্ম নেওয়ায় সিরাজুল হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান এবং আর ফিরে তাকাননি।
পরিবারের চাপ ও হতাশার মধ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর একই হাসপাতাল থেকে চার দিন বয়সী আরেক নবজাতক ছেলে চুরি হয়।