মুহা. আসাদুজ্জামান ফারুকী:
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, আদর্শিক চর্চা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের লক্ষ্যে এ শিক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টা থেকে দিনব্যাপী কলারোয়া আছির উদ্দীন-শায়েদা মিলনায়তনে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার সকল ইউনিয়নের ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারিরা অংশগ্রহণ করেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা উপস্থাপন করেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওমর ফারুক, জেলা ইউনিট সদস্য মাওলানা মো. ওমর আলী এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম।
এছাড়া উপজেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য, ইউনিয়ন আমীর ও সেক্রেটারিগন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে দারস পেশ করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মো. ওসমান গনী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি বলেন, দেশের মানুষ একটি কল্যাণমুখী, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যাশা করছে। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে আদর্শিক নেতৃত্ব ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, আগামী দিনে কুরআনের দাওয়াত সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে হবে এবং মানুষের পাশে থেকে দেশ গঠনের কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কলারোয়ার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে। শিক্ষা শিবিরের মাধ্যমে সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্ব বিকাশ ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় অংশগ্রহণকারীরা নতুন দিকনির্দেশনা লাভ করবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দিনব্যাপী এ শিক্ষা শিবিরে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেশন, আলোচনা ও সাংগঠনিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দকে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
