বি এম আলামিন ইসলাম,কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি:
খুলনার কয়রায় মাথাভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম সোহরাব হোসেন গাজী এবং সহকারী শিক্ষিকা কুলসুম নাহারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাদের অপসারণ চেয়ে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০ টায় উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের মাথাভাঙা কালভার্ড মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাথাভাঙ্গা গ্রামের আকরাম হোসেন, মারুফা খাতুন , জেসমিন সুলতানা, মফিজুল ইসলাম , নাজমুল হক, মমতাজ পারভীনসহ শতাধিক নারীপুরুষ অংশগ্রহণ করে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করে বলেন, মাথাভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম সোহরাব হোসেন বিদ্যালয়ে সকাল ১০ টায় উপস্হিত হয়ে দুপুর ১ টায় চলে যান।ছাত্রছাত্রীদের ঠিকমত পাঠদান করান না।স্কুলের ছাত্রদের দিয়ে তার ব্যক্তিগত কাজ করান।বিদ্যালয় চলাকালে গায়ে গামছা দিয়ে ক্লাস করেতে দেখা গেছে তাকে, বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন অপরিষ্কার রাখায় এলাকার অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ওই বিদ্যালয়ে পাঠাতে চান না বলেও অভিযোগ করেন। প্রধান শিক্ষকের পছন্দের লোক দিয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠণ করায় প্রতিকার চেয়ে গণ স্বাক্ষরে করে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে মানববন্ধনে জানা যায়।
মানববন্ধনে এলাকাবাসী আরও জানান, উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা কুলসুম নাহার স্কুলে না এসে প্রধান শিক্ষকের সহায়তায় হাজিরা দেখিয়ে বেতন তুলছেন। মানবন্ধনে বক্তারা বিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানানোর পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
এবিষয়ে জনতে চাইলে মাথাভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম সোহরাব হোসেন বলেন,মানববন্ধনে আমার উপর যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকার বলেন,মাথাভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষকের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধনের খবর জেনেছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।
