এর আগে বৃহস্পতিবারই দুই ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এদিন মৃত রেবতী সরকারের ছেলে অনিক সরকার জানান, প্রয়োজনীয় নথি এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নিউমার্কেট থানার পুলিশ মায়ের মরদেহ আমাদের হাতে হস্তান্তর করবে।এরপর আমাদের ইচ্ছা এখানেই সৎকার করব।এদিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার আরো ১৭টি হোটেলের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গের দমকল বিভাগ। ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকার কারণে এই শোকজ নোটিশ জারি।
শুক্রবার কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হবে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে। তারা হলেন কুষ্টিয়ার বাসিন্দা আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ও কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল এলাকার দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছর বয়সি সন্তান শর্ণশীষ দত্ত এবং তার শশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবু।সেক্ষেত্রে শুক্রবার বিকালের মধ্যেই দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হলে মরদেহ পাঠানোর ক্ষেত্রে শুক্রবারের বদলে শনিবার সময় লাগতে পারে।