Wednesday, 30th September 2026

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ আকৃতির মরা গাছ।।জীবনের ঝুঁকি পথচারীদের চলাচলে
আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ আকৃতির মরা গাছ।।জীবনের ঝুঁকি পথচারীদের চলাচলে

আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ আকৃতির মরা গাছ।।জীবনের ঝুঁকি পথচারীদের চলাচলে

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান,আশাশুনি:

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে রাস্তার পাশে বৃহৎ বৃক্ষ শুকিয়ে বিপদজনক অবস্থায় থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথ চলাচলে বাধ্য হচ্ছে পথচারী ও এলাকাবাসী।

আশাশুনির মানিকখালী ব্রীজ হতে বড়দল ব্যস্ততম সড়কে ফকরাবাদ গ্রামে রাস্তার একেবারে পাশে ৩০ বছর অধিককাল শিশু চটকা গাছ বেড়ে উঠেছে। ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড়ে জনসমাগম স্থানে বিনয় সরকারের কাঠগোলা,ধান,হলুদ ও তেলের মিল,বিল্লাল গাজীর চা স্টলসহ কয়েকটি দোকান রয়েছে। মসজিদ,স্কুল ও ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের সমাগম ঘটে।

রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত অসংখ্য যানবাহন,ফকরাবাদ সরকারি প্রাইমারী স্কুলের ছাত্রছাত্রী,সাধারণ জনগণ ও দূর দুরান্তের পথচারী চলাচল করে থেক। গাছের দুটি বড় বড় শাখা রাস্তার উপর ছায়া করে ছিল। ৩ মাসের অধিক শাখা দুটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে আছে। মূল গাছটিও মরণাপন্ন প্রায়। মরা শাখা ডাল দুটি রাস্তার উপর এমন বিপদজনক ভাবে রয়েছে যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়লে জীবনহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
স্কুলের পিটিএ সভাপতি,এস এম শরিফুল ইসলাম জানান,গাছটি রাস্তার উপর ঝুকে পড়েছে। শুকনো বড় আকৃতির ডাল দুটি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রী,পথচারী ও যানবাহনগুলো রীতিমত হুমকির মধ্যদিয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। জেলা পরিষদকে অবহিত করা হলেও গাছ কাটা হচ্ছেনা কেন,আমরা জানিনা।

এলাকাবাসীর দাবী, হয় গাছটি কেটে নেওয়া হোক,না হয় কোন প্রতিষ্ঠানে দান করে দিলে তারাই কেটে নেবে।

আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, গাছটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদজনক। ঝড় বৃষ্টি বা যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ার শঙ্কায় পথচারী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভয়ে ভয়ে রাস্তা দিয়ে যাতয়াত করে থাকে। দ্রুত গাছটি কেটে নিতে তিনি জেলা পরিষদের কাছে দাবী জানান।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।