Thursday, 1st October 2026

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
ঢাবির দোকানে তামাক বিক্রি বন্ধে নজরদারির তাগিত
ঢাবির দোকানে তামাক বিক্রি বন্ধে নজরদারির তাগিত

ঢাবির দোকানে তামাক বিক্রি বন্ধে নজরদারির তাগিত

দৈনিক নতুন সূর্য ডেস্ক:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দোকানে তামাকজাত পণ্য বিক্রি হচ্ছে কি না, তা কার্যকরভাবে নজরদারির তাগিদ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। তামাকজাত পণ্য বিক্রিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনুমোদন বা অনুমতির বিষয় থাকলে তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী কলা ভবনের সভাকক্ষে তামাক ও ধূমপানমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি ও ডর্পের যৌথ উদ্যোগে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, তামাক ও ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষা দিতে সচেতনতার পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তামাকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার উদ্যোগকে শুধু আলোচনা সভায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপরিকল্পনায় এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে তামাকবিরোধী লিফলেট, পোস্টার ও স্টিকার প্রদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, তরুণদের মধ্যে তামাক ও ধূমপানের ব্যবহার কমাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব দেওয়া হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।সভায় বক্তারা তামাক ও ধূমপানের স্বাস্থ্যঝুঁকি, তামাক নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান, ক্যাম্পাসে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তামাকমুক্ত শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করতে আইন ও নীতিমালার কার্যকর প্রয়োগের পাশাপাশি নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মো. মানজুর হোছাঈনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার। স্বাগত বক্তব্য দেন ডর্পের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম নোমান।অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডর্পের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর জেবা আফরোজ। আলোচক ছিলেন সিটিএফকে বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আব্দুস সালাম মিয়া এবং ডর্পের উপদেষ্টা ও অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. আজহার আলী তালুকদার। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।