
শেখ শাহাজাহান আলী শাহিনঃ
সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার ২ শিক্ষার্থী বিকেএসপিতে চান্স পাওয়ায় কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবির মনোবল বৃদ্ধির জন্য উৎসাহ প্রদান করেন এবং তাঁদের মাঝে আর্থিক পুরষ্কার তুলে দেন।
আজ শনিবার(১১ সেপ্টেম্বর) তাঁরা অফিসার ইনচার্জের অফিস কক্ষে সাক্ষাত করে।
চান্সপ্রাপ্ত দুজন শিক্ষার্থী হলো সুমাইয়া খাতুন চুমকি (ফুটবল), কেয়া পারভীন (হকি)
এসময় অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিকেএসপিতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলা শিখে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে সুনাম বৃদ্ধি করারর আহবান জানান। সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়ার উর্বরভূমিকে সমৃদ্ধ করবে এই আশবাদ ব্যক্ত করেন এবং তাঁদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।
সুমাইয়া খাতুন চুমকি কলারোয়ার কয়লা গ্রামের আব্দুল মাজেদের কন্যা। সে ইন্টারস্কুল ফুটবল টূর্ণামেন্ট খেলার সময়ে সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও কোচ খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্সের নজরে আসে। তিনি চুমকি কে সাতক্ষীরায় রেখে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করতে থাকেন।অবশেষে কাঙ্খিত বিকেএসপিতে সুযোগ পেয়ে যায় এবং কলারোয়া ফুটবল একাডেমির কোচ সাঈদ আলীর তত্বাবাধায়নে কোচিং করতো। চুমকি ভবিষ্যতে জাতীয় দলে খেলতে চায়।
এছাড়া কেয়া পারভীন কলারোয়ার পশ্চিম বোয়ালিয়া গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক তবিবর গাজীর কন্যা। কলারোয়া থেকে চমক সৃষ্টি করেছে সে। কলারোয়াতে মেয়েদের হকির প্রচলন না থাকায় সে বি,কে,এস,পি তে হকি তে সুযোগ পেয়ে দেশের হয়ে জাতীয় দলে খেলতে চায়। কেয়া পশ্চিম বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেনী পাশের পর ফুটবল প্রশিক্ষনের জন্য সাতক্ষীরা দ্যা পোলস্টার পৌর হাইস্কুলে ভর্তি হয়। সেও খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্সের নিকট ফুটবল প্রশিক্ষণ নিতে থাকে। কোচ প্রিন্স বিকেএসপি’র হকি কোচ শুভর অধীনে ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে। যথারীতি বিকেএসপি’র বাছাইয়ে অংশ গ্রহন করে সুযোগ পেয়ে যায় ভর্তির।
জানা যায়,আগামী ১৩ ই সেপ্টেম্বর তাঁরা দু’জন বিকেএসপি তে যাবে।