শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
রেজা-নূরের গণঅধিকার পরিষদের যাত্রা শুরু
রেজা-নূরের গণঅধিকার পরিষদের যাত্রা শুরু

রেজা-নূরের গণঅধিকার পরিষদের যাত্রা শুরু

নতুন সূর্য ডেস্কঃ

গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া আহ্বায়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরকে সদস্যসচিব করে নতুন রাজনৈতিক দল ‘গণঅধিকার পরিষদ’-এর আত্মপ্রকাশ হয়েছে।

গতকাল দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কার্যালয়ে এ দলের ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণাপত্র পাঠ করেন নুরুল হক নূর। ৮৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির এই নতুন সংগঠনের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘জনতার অধিকার  আমাদের অঙ্গীকার’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গণঅধিকার পরিষদের মূলনীতি নির্ধারণ করা হয়েছে চারটি। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ। এগুলোর ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে দলটির। দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান মূলনীতি ও দলের উদ্দেশ্য এবং ২১ দফা খসড়া কর্মসূচি পড়ে শোনান। গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কমিটিতে যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে স্থান পেয়েছেন ২২ জন। তারা হলেন- মুহাম্মদ রাশেদ খান, ফারুক হাসান, বিপ্লব কুমার পোদ্দার, অ্যাডভোকেট খাদেমুল ইসলাম, মো. আল মামুন, ডা. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, মুফতি নুরুল ইসলাম শোয়াইবী, ঝুনু রঞ্জন দাস, মাহফুজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জিশান মহসীন, আবু হানিফ, সোহরাব হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, শাকিল উজ্জামান, নাজমুস সাকিব, জসিম উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, আরিফুল ইসলাম, কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম ফাহিম, হানিফ খান সজীব, আরিফুর রহমান তুহিন ও আফজাল হোসেন। ১৫ সহকারী যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন- তামান্না ফেরদৌস শিখা, রাফিয়া সুলতানা, রাতুল সরকার, মো. তুহিন ফারাবী, মাহবুব জনি, আলতাফ হোসেন, আজাদ আহমেদ পাটওয়ারী, জে. আবেদিন, সাকিব হোসাইন, হাসান রাকিব, অ্যাডভোকেট এরশাদ সিদ্দীকী, অ্যাডভোকেট তৌফিক শাহরিয়ার, রাজন আহমেদ, বায়েজিদ শাহেদ ও জাকারুল ইসলাম। আট যুগ্ম সদস্যসচিব হলেন- মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, আবদুজ জাহের, মশিউর রহমান, মিনা আল আমিন, সাইফুল্লাহ হায়দার, ফাতেমা তাসনিম, ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক ও আবু সাঈদ মুসা। ২২ সহকারী সদস্যসচিব হলেন আরিফ হোসেন, অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার, মাসুদ মোন্নাফ, শেখ খায়রুল কবির, নাসিমা কামাল, ডা. আজহার আলী, অ্যাডভোকেট ফিরোজ মুন্সী, জাহিদ রহমান, মো. ইবরাহিম, জিলু খান, আবদুল্লাহ আল মামুন সুজন, আকন্দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল, রনি খন্দকার, রিদুয়ানুর রহমান, রোকনুজ্জামান, বাশার বাবু, পাঠান আজহার, নাজমুল হুদা, তাহমিনা আক্তার, আফরোজা সুলতানা মৌ, অ্যাডভোকেট মো. পারভেজ। এ ছাড়া আহ্বায়ক কমিটিতে সদস্য নির্বাহী হিসেবে ১৪ জন হলেন- সাবিকুন নাহার, ডলি আক্তার, আবুল হোসাইন, লোকমান হোসেন, রফিকুল হক, তোফাজ্জল হোসাইন, আবুল খায়ের, ফখরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম তপু, এম এস এ মাহমুদ, এনায়েত হোসেন, মাহফুজুর রহমান, শেখ লতিফ বিশ্বাস, কাজী ইউসুফ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘দেশে যদি আজকে একটা ভালো সরকার আসে তাহলে দেশের সবার উন্নতি হতে পারে। তরুণরাও ক্ষমতায় যেতে পারে। তবে দলে কেউ যদি অন্যায় করে থাকে তাকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। আজকে একটি জাতীয় সরকারের অধীনে দুই বছর সময় না পেলে বাংলাদেশে কোনো কিছু সঠিকভাবে করা যাবে না।’ ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশন নিয়ে আন্দোলন করা তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে করি না। আমাদের আসল দাবি হলো আমরা একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই। এটা ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো মানে হয় না। যারা এর আগে দুবার প্রতারণা করেছে তারা যে আবারও করবে না তার ভরসা আমি করি না। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে অন্যসব দলের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব। আশা করি দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে তারা আমাদের সহযোগিতা করবে।’ নুরুল হক নূর বলেন, ‘বাংলাদেশে বড় দুটি দলের রাজনীতি পরিবারকেন্দ্রিক। কারও বাবার পরে মেয়ে, কারও স্বামীর পরে স্ত্রী। আমাদের দল কখনো রেজা কিবরিয়া ও নুরুলের দল হবে না। এখানে গণতান্ত্রিক উপায়ে পরবর্তী নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে। আমরা গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের কথা বলছি।’

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।