
নতুন সূর্য ডেস্ক:
ওমিক্রনকে ভয় না পেয়ে সবাইকে টিকা নেয়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টিকাদান থেকে কেউই বাদ যাবে না বলে নিশ্চয়তা দেন তিনি।
রোববার সকালে ৮ বিভাগে ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শীতে করোনার প্রকোপ বাড়ে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, এখন পর্যন্ত ৩১ কোটি ডোজের মত টিকার ব্যবস্থা করে রাখা আছে।
এসময় দেশ ও সমাজের উপকারে চিকিৎসাসেবা দেয়ার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের গবেষণায়ও জোর দেয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্যান্সারসহ নানা দূরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকতে সবাইকে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সচেতন থাকতে হবে।
সরকারপ্রধান বলেন, এদেশের মানুষের জন্য শোষিত-বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সংগ্রাম করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। আর স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব তিনি নিয়েছিলেন। সেই অবস্থাতেও তিনি স্বাস্থ্যসেবাটা যেন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছায়, সে ব্যবস্থা নেন।
তিনি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, প্রতি ইউনিয়নে ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হবে এবং সেভাবে তিনি প্রায় ৩৭৫টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করে চিকিৎসা সেব জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। এরপর থেকেই আমরা পদক্ষেপ নিই, কীভাবে এদেশের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থসেবা পৌঁছে দেয়া যায়। সেটা চিন্তা করে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগা নিয়েছলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দেয়।
বন্ধ করে দেয়ার পেছনে তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যদি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু থাকে, তবে ওই অঞ্চলের সব মানুষ নৌকায় ভোট দেবে। অর্থাৎ তাদের কাছে রাজনৈতিক স্পৃহাটাই বড় ছিল, মানুষের সেবাটা না! যাই হোক, পরে আমরা সরকারে এসে আবার তা চালু করেছি।
দেশের ৮ বিভাগীয় শহরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিটিতে নির্মাণ করা হবে একটি করে ১০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র। এই প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হল আজ।