মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে বিতর্কিতরা স্থান পাবে না
খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে বিতর্কিতরা স্থান পাবে না

খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে বিতর্কিতরা স্থান পাবে না

খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে বিতর্কিতরা কোনভাবেই নেতৃত্বে আসতে পারবেন না। চাঁদাবাজি, মাদক, হত্যাকান্ডের অভিযোগ ও সামাজিকভাবে যারা বিতর্কিত তাদের পাওয়া উচিত নয়। ছাত্রলীগের বর্নাঢ্য ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে যে ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম দরকার তা আরও বেগবান করা হবে। নগরের আগামী দিনের কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে হবে বলেও জানান সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা। বর্তমানে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ। 
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এ প্রতিবেদককে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হাল ধরেছি। এখানে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিরোধী ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে এমন কোন কর্মী ও নেতার প্রয়োজন নেই। দেশ ও সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনসহ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র গঠনে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সব সময় পাশে থেকেছে ও ভবিষ্যতে থাকবে। 


নগর ছাত্রলীগের আগামীর নেতৃত্ব সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য জানান, সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব র্নিধারণ করা হবে। বিতর্কিতরা কোন ভাবেই নেতৃত্বে আসতে পারবেন না। 


প্রসঙ্গত, মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে মহানগর ছাত্রলীগ। যে কমিটির অধিকাংশ নেতারই নেই ছাত্রত্ব। তাদের অনেকে আবার বিবাহিত বা চাকুরিজীবী। এছাড়া একাধিক নেতার বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও হত্যাসহ নানা অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। আর এর জেরে দলের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ। এ পরিস্থিতিতে সংগঠনটির সাধারণ কর্মীরা দ্রুত সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন। ২০১৫ সালের ৮ জুন সম্মেলনের মাধ্যমে মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে শেখ শাহজালাল হোসেন সুজনকে সভাপতি ও আসাদুজ্জামান রাসেলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ২০১৭ সালের ৮ জুন ওই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর ২০১৯ সালের ২ জুলাই ৫৭ সদস্যের আংশিক কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ওই কমিটির সভাপতি শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন বর্তমানে মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক। তাছাড়া সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে যাওয়ার পক্রিয়ার রয়েছেন। সুজন-রাসেলের নেতৃত্বে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ প্রাণবন্তই ছিলো। তবে নগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ছাত্রলীগের কিছু কিছু নেতা-কর্মী নানা ক্ষেত্রে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। গুঞ্জণ রয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই ছাত্রলীগের আগামীর কমিটিতে নেতৃত্ব পেতে দৌড়-ঝাঁপ করছেন। 


ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আল নাহিয়ান জয় এ প্রতিবেদককে বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে এ ধরনের ত্যাগী নেতৃত্ব ছাত্রলীগের হাল ধরবে। চাঁদাবাজি, মাদক, হত্যাকান্ডের অভিযোগ ও সামাজিকভাবে যারা বিতর্কিত তাদের পদ পাওয়া উচিত নয়। তাছাড়া স্থানীয় রাজনীতিতে কোন্দল সৃষ্টি করে দলকে ক্ষতিগ্রস্তকারীদের সণাক্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে কোন ব্যক্তির পকেটের লোক হিসেবে ছাত্রলীগের কোন নেতা ব্যবহৃত হতে পারবে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাই ছাত্রলীগের লক্ষ্য থাকতে হবে। 

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।