
মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির, ডুমুরিয়া, খুলনা:
ডুমুরিয়া উপজেলা আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন প্রায় পাঁচ মাস পর। তবে এখন থেকে সরগরম ওই এলাকা। পাড়া মহল্লার চায়ের দোকান থেকে হাটবাজার অবধি সর্বত্র একটাই আলোচনা নির্বাচন।
এসব আলোচনার মধ্য গুরুত্ব পাচ্ছে কে পাচ্ছেন নৌকার মনোনয়ন, কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি ? তবে স্হানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের আলোচনায় স্হান পাচ্ছে যাদের নাম, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অধ্যাপক জিএম ফারুক হোসেন। সে স্হানীয় সংসদ সদস্য বাবু নারায়ণ চন্দ্র চন্দ’ র অনুসারী বলে পরিচিত ।
তিনি ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, খুলনা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক। দীর্ঘ প্রায় ৮/৯ বছর ধরে স্হানীয় কাঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।
দৈনিক নতুন সূর্য’র সাথে একান্তে আলাপকালে জিএম ফারুক জানান, তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে ইতোমধ্যে জোরেশোরে কাজ শুরু করেছেন। প্রতিদিনই তার গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। এলাকার জনগণের খোঁজখবর রাখছেন। তাদের সুবিধা অসুবিধায় পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। তাঁর মতে, সর্বস্তরের মানুষ তাকে আপন করে নিয়েছে।
জিএম ফারুক হোসেন বলেন, দেশরত্ন , প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড বলে খ্যাত ছাত্রলীগের কর্মী থেকে উঠে আসছি। তৃণমূল নেতাদের সাথে আমার সখ্যতা রয়েছে। আমি মুজিব আর্দশের সৈনিক। সেই আর্দশকে ধারণ করে আমার এগিয়ে চলা।
আসন্ন নির্বাচনে, স্হানীয় আওয়ামীলীগ সহ জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে জোরালভাবে নৌকার মনোনয়ন চাইবো। আমার প্রত্যাশা, নেতৃবৃন্দ আমাদের আটলিয়া জনগণের মনের ইচ্ছার শতভাগ প্রতিফলন ঘটাবে। কেননা আটলিয়ার অধিবাসীরা চায় আমি যেন নির্বাচন করি, যার জন্যেই আমি আমি নির্বাচনের মাঠে নেমেছি।
তবে শেষ কথা হলো দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পহ্মে আমি জোরালভাবে কাজ করবো। তাছাড়া আওয়ামীলীগ বৃহৎ দল । একাধিক ব্যক্তি মনোনয়ন চাইবেন এটা স্বাভাবিক । তাই মনোনয়ন পাই বা না পাই দলের জন্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। এভাবে জীবণের শেষ পর্যন্ত দলের জন্য, নৌকার জন্য কাজ করে যাবো। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।