বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
কলারোয়ায় শাহীন হত্যাকারিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
কলারোয়ায় শাহীন হত্যাকারিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

কলারোয়ায় শাহীন হত্যাকারিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার

সম্প্রতি সাতক্ষীরার কলারোয়ার পাকুড়িয়া গ্রামের ইসলামী এজেন্ট ব্যাংক কে কর্মরত শাহীনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিকে ফাঁসির দাবিতে খোরদো টু দেয়াড়া রাস্তা অবরোধ করে মানব বন্ধন করেছে স্গ্রামবাসীরা। গতকাল (২৪শেএপ্রিল )সোমবার সকাল ১১ টায় পাকুড়িয়া শয়তানের মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এলাকাবাসী ও নিয়তের স্বজনেরা খুনি আমিনুরের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন প্লাকার্ড ফেষ্ঠুনী ও ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করে। তাদের দাবি অবিলম্বে খুনি আমিনুরকে গ্রেফতার করে, বিচার আওতায় এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানোর জন্য প্রশাসনের কাছে জোরদাবি করেন। এ সময় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গাজী মাহবুবুর রহমান মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে বিচারের দাবিতে জোর বক্তব্য প্রদান করেন।মানববন্ধনে নিহত পিতা আকবর ও নিহত শাহিনের স্ত্রী মাহফুজা কান্নাজনিত কণ্ঠে বলেন, ‘ওরা আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করে নাতিকে এতিম করেছে। এখন আবার আসামির স্বজনরা মামলা তুলে নিতে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। মামলার আসামি আমিনুর ও স্ত্রী, বোনসহ স্বজনরা কয়েকদিন আগে আমাদের হুমকি দিয়েছে। এরপরও ওরা নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। এখন আমার বাকি পরিবারের সদস্যরা দের ছেলেকে নিয়ে ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছি। তাদের কিছু হলে আমি কী নিয়ে বাঁচবো? আমি শুধু আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।

একই ঘটনায় নিহতের মা বলেন সাহিদা বেগম বলেন, রমজান মাসে আমার ছেলের কি দোষ ছিল ওরা আমার ছেলেকে কুপিয়ে মেরেছে। আমরা সকল আসামিদের ফাঁসি চাই।এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলারোয়র থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য:গত ৪ এপ্রিল প্রয়াত শাহিনের চাচি জাহানার সাথে ঘাতক আমিনুর রহমানের স্ত্রী মাহফুজার হাঁস মুরগির বিরোধ কথা কাটাকাটি হয় । এক পর্যায় মাহফুজার স্বামী আমিনুর শাহানারা কে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। শাহীন দৌড়ে এসে তার চাচিকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে শাহীনের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে ধারালো দা নিয়ে এসে শাহিনের মাথায় ও পায়ে কোপাতে থাকে । এ সময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে আমিনুর দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে শাহীনকে উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তার অবস্থান অবনতি হওয়ায় সাতক্ষীরা মেডিকেলে পাঠানো হয়। কিন্তু অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল ও পরে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ঢাকা মেডিকেল থেকে রিলিজ নিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে যায় শাহীন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে আত্মীয়ের বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।