দৈনিক নতুন সূর্য ডেস্ক:বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাসন্তান চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। পরিবারটি এখন কার্যত নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।গত ২ মার্চ বাহরাইনের একটি জাহাজ মেরামত কারখানায় কর্মরত অবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্রের একটি অংশের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মারা যান তারেক।পরে গত ৩ এপ্রিল তার মরদেহ দেশে আনা হয়। পরদিন চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর বউবাজার এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।নিহত তারেকের শ্যালক রিয়াজ উদ্দিন সোহরাব জানান, প্রায় ২৭ বছর ধরে প্রবাসে ছিলেন তারেক। প্রায় ২০ বছর আগে তাদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে পরিবারটি চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর বউবাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় উঠে।এখনও সেই ভাড়া বাসাতেই বসবাস করছেন তারেকের স্ত্রী ও কন্যা।তারেকের উপার্জনের ওপরই চলত পুরো সংসার। তার স্ত্রী গৃহিণী এবং একমাত্র মেয়ে তাসনিম তামান্না কলেজে পড়াশোনা করছে। কোনো সঞ্চয় বা ব্যাংকে অর্থ রেখে যেতে পারেননি তিনি।ফলে তার মৃত্যুর পর পরিবারটি একেবারেই অসহায় হয়ে পড়েছে।রিয়াজ উদ্দিন আরও জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকার একটি চেক দিয়েছেন। পাশাপাশি তাসনিম তামান্নার উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহনের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। তবে পরিবারের কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় দৈনন্দিন জীবনযাপন চালানোই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দৈনিক নতুন সূর্য ডেস্ক:বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাসন্তান চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। পরিবারটি এখন কার্যত নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।গত ২ মার্চ বাহরাইনের একটি জাহাজ মেরামত কারখানায় কর্মরত অবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্রের একটি অংশের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মারা যান তারেক।পরে গত ৩ এপ্রিল তার মরদেহ দেশে আনা হয়। পরদিন চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর বউবাজার এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।নিহত তারেকের শ্যালক রিয়াজ উদ্দিন সোহরাব জানান, প্রায় ২৭ বছর ধরে প্রবাসে ছিলেন তারেক। প্রায় ২০ বছর আগে তাদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে পরিবারটি চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর বউবাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় উঠে।এখনও সেই ভাড়া বাসাতেই বসবাস করছেন তারেকের স্ত্রী ও কন্যা।তারেকের উপার্জনের ওপরই চলত পুরো সংসার। তার স্ত্রী গৃহিণী এবং একমাত্র মেয়ে তাসনিম তামান্না কলেজে পড়াশোনা করছে। কোনো সঞ্চয় বা ব্যাংকে অর্থ রেখে যেতে পারেননি তিনি।ফলে তার মৃত্যুর পর পরিবারটি একেবারেই অসহায় হয়ে পড়েছে।রিয়াজ উদ্দিন আরও জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকার একটি চেক দিয়েছেন। পাশাপাশি তাসনিম তামান্নার উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহনের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। তবে পরিবারের কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় দৈনন্দিন জীবনযাপন চালানোই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।