শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
সামটা সিদ্দিকিয়া ফাজিল  মাদ্রাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
সামটা সিদ্দিকিয়া ফাজিল  মাদ্রাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

সামটা সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

প্রভাষক আসাদুজ্জামান ফারুকী:

শার্শার সামটা সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মোমিনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি বিশিষ্ট কলামিস্ট, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদ।

উপাধ্যক্ষ মাওলানা মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় এসময় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বডির সদস্য মোঃ গোলাম আযম, মোহাম্মদ লালটু গাজী, সহকারি অধ্যাপক আলহাজ্ব মাও.আব্দুর রশিদ, কবি হেলাল আনওয়ার, আলহাজ্ব মাওলানা হাবিবুর রহমান, প্রভাষক ইকবাল হোসাইন, প্রভাষিকা ফাতেমা নুসরাত আইরিন, জান্নাতারা, আসাদুজ্জামান ফারুকী।

আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষক মাওলানা আলহাজ্ব রহমাতুল্লাহ, লাইব্রেরিয়ান হাজি সেলিম, সহকারি শিক্ষক মাওঃ সাইফুল ইসলাম, নুর হাসান, নুরুন্নাহার, খাদিজা খাতুন,শরিফা খাতুন শরিফুল ইসলাম,রফিকুল ইসলাম, কম্পিউটার শিক্ষক মোজাম্মেল হক,অফিস সহকারি আবুল হাসান, মৌলভী আবু বকর ছিদ্দিক,ক্বারী শামছুদ্দীন প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন-

মহান একুশের শহীদদের আত্মত্যাগ বিশ্বসভায় পেয়েছে অনন্য মর্যাদা। ফেব্রুয়ারি মাস একুশের শহীদের স্মৃতিবাহী শোকাবহ মাস হলেও আত্মত্যাগ ও আত্মজাগরণের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের কারণে দিনটিকে উদযাপন করা হয় পরম মমতায়। কিন্তু এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে অন্যান্য অনেক কিছুর মতোই ২১শে ফেব্রুয়ারি উদযাপনের ক্ষেত্রেও ঘটছে ছন্দঃপতন।

দিনটি ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকোর ৩০তম অধিবেশন বসে। ইউনেসকোর সেই সভায় একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়। ফলে পৃথিবীর সব ভাষাভাষীর কাছে একটি উল্লেখযোগ্য দিন হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারি স্বীকৃতি পায়। বিশ্বের দরবারে বাংলা ভাষা লাভ করে বিশেষ মর্যাদা। ঠিক পরের বছর ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এ দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

আলোচনা শেষে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া-মুনাজাতের আয়োজন করা হয়।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *