
কলারোয়া( সাতক্ষীরা )প্রতিনিধি ঃ কলারোয়ায় পৌরসদরের আমানুল্লাহ কলেজ সংলগ্ন কলারোয়া শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ইসমাইল হোসেনের চিকিৎসার নামে কলারোয়া নিরীহি জনসাধারণের কাছ থেকে লুটে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। উপজেলা ব্যাপি ছড়িয়েছিটেয়ে আছে. কলারোয়া শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের দালাল তারা সহজলভ্য চিকিৎসা সহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে আনছে শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার নামে লুফে নিচ্ছেন টাকা, ডাক্তার ইসমাইল হোসেন চিকিৎসা সেবা কে বাণিজ্য পরিণত করেছেন,অতি সাধারণ ফোড়া পেটে ব্যথা এ রকম ধরনের সাধারণ রোগী কে তিনি সার্জারি করছেন,দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে,সাম্প্রতিক গত হাজিরা নামে ১৮ বছরের মেয়ের পেটের পিত্তথলি কেটে ফেলেছেন এই ডাক্তার অবশ্য সার্জারির পরে রোগীর আত্মীয় স্বজনদের কোন পাথর দেখাতে পারেন এই ডাক্তার ইসমাইল হোসেন, ২০১০ সালে প্রথমে এই ডাক্তার ইসমাইল ক্লিনিক স্থাপন করেন পৌরসদরের পাশে লোহকুড়া গ্রামে। সেখানে রোগীদের সাথে গলাকাটা ফি আদায় ও বিভিন্নভাবে রোগ নিযয়ে প্রতারণা করায় বিতাড়িাত হন লোহাকুড়া গ্রাম থেকে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে ক্লিনিক স্থাপন করেন আমানুল্লাহ কলেজের সামনে নাম দেন শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল, অথচ এই ক্লিনিকে ফোড়া থেকে শুরু করে ক্যান্সার পর্যন্ত সকল রোগের চিকিৎসা করেন, অপারেশনের না কোন এ্যানেশতেশিয়া ডাক্তার, নিবন্ধনহীন এই ক্লিনিক গত পাঁচ বছর ধরে তিনি কোন কাগজ করেননি, গত ২২শে আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইনে আবেদন করেছেন মাত্র, এটাকে তিনি ক্লিনিকের লাইসেন্স বলে দাবি করেন।