
নতুন সূর্য ডেস্কঃ
কারওয়ানবাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা, আফ্রিকান মাগুর, ক্ষতিকর রং দিয়ে মাছ বিক্রির অভিযোগে পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত। র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানিয়েছেন, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে ক্ষতিকর এসব মাছ বিক্রি করা হচ্ছে ক্রেতাদের কাছে। নিষিদ্ধ ও বিষাক্ত মাছ পিরানহা, ভালুকা থেকে কিনে এনেছে ৭৫টাকা কেজি। রুপচাদা মাছ বলে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে দেড়শ টাকা কেজি। অথচ মানুষখেকো এই মাছটি ২০০৮ সাল থেকে চাষ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে মৎস অধিদপ্তর। সামুদ্রিক পোয়া মাছ, কাপড়ে দেয়ার রং এই মাছটিতে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।
ক্ষতিকর জানার পরও তাঁজা দেখানো এবং ক্রেতা আকৃষ্ট করতেই এমন চেষ্টা জানালেন বিক্রেতা। ঢাকার অদূরে কামরাঙ্গীরচর ও নারায়নগঞ্জের ডোবা-নালায় চাষ করা হয় আরেক নিষিদ্ধ মাছ আফ্রিকান মাগুর। সেই মাছ কারওয়ানবাজারে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এই মাছটিও ২০১৪ সালে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বারবার অভিযান করে জেল-জরিমানা করা হলেও বন্ধ হচ্ছে না নিষিদ্ধ এসব মাছের বিক্রি। মাছ কেনার সময় ক্রেতাদেরকে আরো সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে র্যাব।