সূত্রটি আরও জানায়, পাঠানো হচ্ছে মেডিকেল ইকুইপমেন্টও।এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী আরও চিকিৎসকরাও যাবেন।জানা যাচ্ছে, গতকালের ওই দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিবকে ফোন করেন এবং যে কোনও দরকারে ভারত যে সর্বতোভাবে সাহায্য করতে প্রস্তুত, সে কথাও তাকে জানিয়ে দেন।সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে ওই বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় তার শোক প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, এই সংকটে ‘ভারত বাংলাদেশের পাশে আছে এবং সব ধরনের সমর্থন ও সহায়তা দিতেও প্রস্তুত’।
ঢাকায় সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লিতে জানানো হয়েছিল, বেশির ভাগ ভিক্টিমেরই শরীর পুড়ে গেছে – তাই এই দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ দল, ইকুইপমেন্ট ও অত্যাধুনিক ওষুধপত্র পেলেই সবচেয়ে সুবিধে হবে। সেই অনুরোধ অনুযায়ী দিল্লিও সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয় এবং নার্স-সহ দুজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এরপর ঢাকায় ভারত থেকে আরও ডাক্তার ও নার্স পাঠানোর প্রক্রিয়াও জারি আছে বলে দুই দেশের কূটনৈতিক সূত্রই বিবিসির কাছে নিশ্চিত করেছে।