Friday, 28th August 2026

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
রংপুরের চার খুন: ‘পেশাদারিত্বের সঙ্গে প্রশ্নগুলোর জবাব খুঁজছি
রংপুরের চার খুন: ‘পেশাদারিত্বের সঙ্গে প্রশ্নগুলোর জবাব খুঁজছি

রংপুরের চার খুন: ‘পেশাদারিত্বের সঙ্গে প্রশ্নগুলোর জবাব খুঁজছি

দৈনিক নতুন সূর্য ডেস্ক: রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলছে বলে জানিয়েছেন সদ্য যোগ দেওয়া রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রশীদ। তিনি বলেছেন, তদন্তে যেসব প্রশ্ন উঠছে, সেগুলোর পেশাদারিত্বের সঙ্গে জবাব খুঁজে বের করাই পুলিশের দায়িত্ব।শুক্রবার দুপুরে চার খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পুলিশ কমিশনার।মাহবুবুর রশীদ বলেন, ‘এই ঘটনা এবং মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ।তদন্তের ধারাবাহিকতা চলমান রয়েছে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় অনেক প্রশ্নও আসবে। সে প্রশ্নগুলোর পেশাদারিত্বের সঙ্গে জবাব খুঁজে বের করাই আমাদের দায়িত্ব। আমরা সেই কাজগুলো করছি।
তদন্তে পাওয়া তথ্য ও আলামত বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আসামি সিদ্ধার্থ দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে আলামত নষ্ট করার যে অভিযোগ করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘আমিও আপনাদের মতো এটি শুনেছি। আমি রংপুরে কেবল গতকাল যোগদান করেছি। আলামত আসলে ধুয়ে ফেলার কিছু নেই। এটা ক্রাইমসিন, সেটা সংগ্রহ করা আছে।

’তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। তদন্তে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রযুক্তিগত ও গোয়েন্দা সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। নতুন কোনো তথ্য বা সূত্র পাওয়া গেলে তা পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক জিন্নাত আলীসহ পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।গত শনিবার, ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ির তালা ভেঙে পুলিশ গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে। গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। তাঁর ছেলে প্রিয়ম একই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।এ ঘটনায় পরদিন ভোরে মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি থেকে বিরত থাকুন,ধন্যবাদ।