শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন:
কলারোয়া সরকারি জি.কে.এম.কে পাইলট হাইস্কুলের ফুটবল মাঠ সংরক্ষণ, তদারকি ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২১ সদস্যবিশিষ্ট মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১১টায় কলারোয়া পাইলট হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক শেখ তামিম আজাদ মেরিন-এঁর সভাপতিত্বে হাইস্কুল মার্কেটের অফিসকক্ষে আয়োজিত এক জরুরি পরামর্শ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক বছরের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে শেখ তামিম আজাদ মেরিন-কে সভাপতি, অ্যাডভোকেট কাজী আবদুল্লাহ আল হাবীব ও মো. রেজাউল করিম লাবলু-কে সহ-সভাপতি, মমতাজুল ইসলাম চন্দন-কে সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু-কে যুগ্ম সম্পাদক, মীর রফিকুল ইসলাম মীর-কে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন চঞ্চলকে অর্থ সম্পাদক করা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মীর রফিকুল ইসলাম মীর, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম বাবু, সোনালী ব্যাংকের এজিএম শেখ সালাউদ্দিন চঞ্চল, উপজেলা ফুটবল দলের কোচ মাসউদুল ইসলাম মাসুদ, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কাজী সিরাজ, অ্যাডভোকেট কাজী আবদুল্লাহ আল হাবীব, ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক মো. রেজাউল করিম লাবলু, রেফারি ফারুক হোসেন স্বপন, সাজেদুল করিম তপু, সাংবাদিক মোর্তজা হাসান, মো. সানবীম করিম সিয়াম, ক্রীড়ানুরাগী আবদুল বারিক সরদার ও শিক্ষক শেখ শাহাজাহান আলী শাহিনসহ সংশ্লিষ্টরা।
সভায় বক্তারা বলেন, কলারোয়ার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ফুটবল মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়া কার্যক্রমের পাশাপাশি রাজনৈতিক সভা, ওয়াজ মাহফিল ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। একই সঙ্গে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের ব্যায়াম এবং শিশুদের খেলাধুলার অন্যতম স্থান এটি।
তবে যথাযথ সংরক্ষণ ও পরিচর্যার অভাবে বর্তমানে মাঠটি খেলাধুলার জন্য অনেকটাই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই মাঠটির অস্তিত্ব রক্ষা, নিয়মিত পরিচর্যা, তদারকি ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবস্থাপনা কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত সদস্যরা।
এছাড়া সভায় কলারোয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুলের নির্মাণাধীন প্রাচীর এবং এর কাজের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা করা হয়।
আলোচনা সভা শেষে ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে মাঠ পরিদর্শন করেন এবং মাঠের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেন।